fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

অধরা ছেলের খুনিরা, গ্ৰেফতারের দাবিতে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ অসহায় মা

মিল্টন পাল, মালদা: দীর্ঘদিন আগে ছেলে খুন হলেও গ্রেফতার হয়নি দোষীরা। খুনিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে থানায় অভিযোগ করায় প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে ছেলের শ্বশুড় বাড়ির লোকেরা। এবার বাধ্য হয়ে ছেলের খুনিদের গ্ৰেফতারের দাবি নিয়ে সুবিচারের আশায় মালদা জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হলেন এক অসহায় মা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা থানার চৈতন্য মোর এলাকায়। ছেলের খুনিদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন অসহায় মা। এদিকে গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম তপন দাস (৩২)। তার বাড়ি পুরাতন মালদা থানার ফুটানিমোড় এলাকায়। পাশের পাড়া কোর্ট স্টেশন এলাকার এক মহিলাকে ছয় মাস আগে বিয়ে করে তপন দাস। এরপর স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ইংরেজবাজার থানার ঘোড়াপীর এলাকায় চলে আসেন একটি ভাড়া বাড়িতে । সেখানেই তারা সংসার পাতেন। গত ১ মে ঘোড়াপীর এলাকার ভাড়াবাড়ি থেকেই তপন দাসের রহস্যজনক অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। আর এই ঘটনার পিছনে ছেলে তপন দাসকে পরিকল্পনা করে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন মা কাঞ্চন দাস। অভিযোগে পুত্রবধূ কোয়েল দাস সহ শ্বশুরবড়ির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানো হয় ইংরেজবাজার থানায়।

পুলিশকে অভিযোগে মৃতের মা কাঞ্চনদেবী জানিয়েছেন, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে পুত্রবধূ কোয়েল দাস সহ তার পরিবারের লোকেরা জড়িত রয়েছে। কাঞ্চন দেবীর আরও অভিযোগ, অভিযুক্তদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করায়, প্রতিনিয়ত তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমত অবস্থায় সুবিচারের আশায় বুধবার মালদা জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছি।

মৃত তপন দাসের ভাই স্বপন দাস জানান, দাদাকে বৌদি ও তার পরিবারের লোকেরা শ্বাসরোধ করে খুন করার পর ঝুলিয়ে দিয়েছিল। এনিয়ে আমরা ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। কিন্তু অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই প্রতিনিয়ত আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। তাই সুবিচারের আশায় পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছি।

পুলিশ সুপার অলক রাজোরিয়া জানান, ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশকে।

Related Articles

Back to top button
Close