fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী গৃহবধূ

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভাতাড়: ট্রেনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন ভাতারের এক গৃহবধূ। মৃতার নাম পাপিয়া ঘোষ(২৬)। তাঁর শ্বশুরবাড়ি ভাতার থানার বেলডাঙ্গা গ্রামে। বৃহস্পতিবার ভোরে ভাতার বাজারের কলপুকুর পাড়ের কাছে বর্ধমান থেকে কাটোয়াগামী লোকাল ট্রেনটির সামনে তিনি ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন। ঘটনার পর ঘন্টা দুয়েক পরে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় জিআরপি৷ মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচারের কারনেই আত্মঘাতী হয়েছেন পাপিয়াদেবী।

জানা গেছে, মৃতার বাপের বাড়ি বীরভুম জেলার নানুর থানার গোমাই গ্রামে। বছর ছয়েক আগে বেলডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা হেমন্ত ঘোষের সঙ্গে তাঁর দেখাশোনা করে বিয়ে হয়। তাঁদের চার ও আড়াই বছরের দুই শিশুসন্তান রয়েছে। এদিন ভোর তিনটে নাগাদ ভাতার বাজারের কলপুকুর পাড়ে বর্ধমান-কাটোয়া রেলপথে কাটোয়াগামী একটি লোকাল ট্রেনের চাকায় মাথা দিয়ে আত্মঘাতী হন পাপিয়াদেবী।

আরও পড়ুন- শান্তিপুরে ২৬২ জন সংখ্যালঘু মুসলিম যোগ দিলেন পরিবার বিজেপিতে 

মৃতার বাবা সুকুমার ঘোষের অভিযোগ, ‘বিয়ের পর থেকেই হেমন্ত ও তার বাড়ির লোকজন মেয়ের উপর অত্যাচার করত। একথা আমার মেয়ে প্রায়ই ফোনে জানাত। বুধবারেও আমার মেয়েকে মারধর করা হয়। আমার মেয়ে ফোন করে সেকথা জানায়। এরপর আমি হেমন্তকে ফোন করি। তখন হেমন্ত আমার মেয়েকে খুন করে দেওয়ার হুমকি দেয়। আমার মোবাইলে হেমন্তর ভয়েস রেকর্ডিং আছে। এরপর এদিন সকালে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানতে পারি আমার মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে।’ সুকুমারবাবুর অভিযোগ, হেমন্তর তার দাদা অনন্ত ঘোষ ও হেমন্তর মা বাসন্তী ঘোষের কারনেই তার মেয়ের এই পরিনতি  হল। তিনি জানিয়েছেন, এনিয়ে জিআরপির কাছে অভিযোগ জানাবেন।

 

Related Articles

Back to top button
Close