fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের রহস্যভেদ সন্তানের

মিল্টন পাল, মালদা: স্বামীর ঘরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার। খুনের রহস্যভেদ করলো নিজের সন্তান। পাঁচ বছরের পুত্র সন্তানের জবানবন্দিতেই গ্রেফতার হলেন স্বামী। মালদা জেলার চাঁচোলের হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের ফতেপুর গ্রামের ঘটনা। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যালে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, মৃত গৃহবধুর নাম মুন্নি খাতুন(২৪)। বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের ফতেপুর গ্রামে। স্বামী পাপ্পু আনসারি। পাপ্পু আনসারির দাবি মুন্নি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ ছিল মুন্নির বাপের বাড়ির লোকেরা। তাঁদের দাবি, পাপ্পুই খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে মুন্নিকে। কিন্তু এই অভিযোগ মানতে নারাজ পাপ্পু। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তে পাঠায়। মুন্নির বাবা সামিউল আনসারি জানান, ৬ বছর আগে মুন্নি আর পাপ্পুর বিয়ে হয় দেখাশোনা করেই। তাঁদের পাঁচ বছরের আর দুই বছরের দুটি ছেলেও আছে। পাপ্পু রাজমিস্ত্রীর কাজ করে।

[আরও পড়ুন- পশ্চিম বর্ধমান জেলার সালানপুর ব্লকে একদিনে ৬ জন করোনা আক্রান্ত]

কাজের তাগিদে ভিন রাজ্যেও যায়। পাশাপাশি সে জুয়া ও বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত থাকে। আর এই নিয়ে পরিবারে প্রায়শই বিবাদ লেগেই থাকত। এই নিয়ে বেশ কয়েকবার ঘরোয়া সালিশও হয়। এরপর বাপের বাড়ির লোকেরা জানায় পাপ্পু গলা টিপে খুন করে মুন্নিকে ঝুলিয়ে দিয়েছে। এরপর আত্মহত্যার অভিযোগ করছে। কিন্তু মুন্নির গায়ে মারধরের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা খুনের অভিযোগ অস্বীকার করে পাপ্পু। এরই মধ্যে পাপ্পু বড় ছেলে রেহান পুলিশকে জানিয়ে দেয়, তার মাকে প্রচণ্ড মারধোর করে খুন করে চৌকির উপর শুইয়ে দেয় তার বাবা। তারপর ঝুলিয়ে দেয়। এই জবানবন্দির পরেই স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে পাপ্পুকে গ্রেফতার করে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

 

Related Articles

Back to top button
Close