fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

প্রয়াত সোমেন মিত্র, শোকপ্রকাশ করলেন রাহুল গান্ধী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত সোমেন মিত্র, কংগ্রেস রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের অবসান ঘটল।তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মী, বাংলার কংগ্রেসি ভাবধারার মানুষেরা তো বটেই, বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রীরাও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মৃত্যুতে শোকাহত। আসলে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম প্রবীণ এই নেতা দলমতের ঊর্ধ্বে গিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন। বঙ্গ রাজনীতির আঙিনা পেরিয়ে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতেও অতি পরিচিত নাম হয়ে উঠেছিলেন’ছোড়দা’। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মৃত্যুতে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল শোকস্তব্ধ।

প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী তাঁর শোকবার্তায় বললেন,”আমরা সোমেন মিত্রকে ভালবাসা, সম্মান এবং সুখ্যাতির সঙ্গে মনে রাখব। ওঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।” রাজ্যের কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গৌরব গগই বলছিলেন, “আমার হৃদয় বিদীর্ণ। বাংলার লক্ষ লক্ষ জীবন বদলে দিয়েছেন সোমেনদা।”

সোমেন মিত্র দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন ছিলেন। সোমেনবাবুর শারীরিক পরিস্থিতির খাঁজ নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সোমেনের প্রয়াণে শোক জ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বললেন,”সোমেন মিত্রর মৃত্যুর খবরে আমি স্তম্ভিত। ওঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”

আরও পড়ুন: সোমেন মিত্রের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, টুইটে শোকজ্ঞাপন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আমহার্স্ট স্ট্রিটের ‘ছোড়দা’ নামে কংগ্রেস রাজনীতিতে বেশি পরিচিত ছিলেন সোমেনবাবু। প্রয়াত বরকত গনিখান চৌধুরীর শিষ্য বলা হত তাঁকে। অধুনালুপ্ত শিয়ালদহ কেন্দ্র থেকে বেশ কয়েক বার বিধায়ক হয়েছিলেন। ২০০৭-‘০৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে প্রথমে প্রগতিশীল ইন্দিরা কংগ্রেস গঠন করেন সোমেনবাবু। তার পরে যোগ দেন তৃণমূলে। ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন ২০০৯ সালে। আবার ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসে ফিরে আসেন তিনি। নয়ের দশকে তত্‍কালীন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর সঙ্গে কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচনে লড়াইয়ের পরেই দল ছেড়েছিলেন তত্‍কালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে নির্বাচনে বিপর্যয়ের দায় নিয়ে সোমেনবাবু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন ১৯৯৮ সালে। ফের তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদে ফেরেন কুড়ি বছর পরে, ২০১৮-র সেপ্টেম্বরে। তাঁর মৃত্যুতে কংগ্রেস রাজনীতিতে একটি অধ্যায়ের অবসান হল।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close