fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

ভারতে কমছে দৈনিক সংক্রমণের মাত্রা, কিছুটা হলেও স্বস্তিতে দেশবাসী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কমছে দৈনিক সংক্রমণের হার।কিছুটা হলে স্বস্তিতে ভারতবাসী।এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন রেট তথা আর নম্বর ফের এক লাফে নেমে গেছে ০.৮৮ পয়েন্টে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, এই রেট স্থিতিশীল পর্যায়ে আসতে চলেছে। ধীরে হলেও কমছে সংক্রমণের মাত্রা। যা দেশের মানুষের কাছে খুশির খবর। অক্টোবরের গোড়া দিকে ছিল আর নম্বর ছিল ০.৯৭। পরে সেটাই নেমে যায় ০.৯৫ পয়েন্টে। অক্টোবরের শেষের দিকে আর নম্বর ফের নেমে গিয়েছিল ০.৯২ পয়েন্টে।

চেন্নাইয়ের ইনস্টিটিউট অব ম্যাথেমেটিক্যাল সায়েন্সের গবেষকরা জানিয়েছেন, এখন দেশে আর নম্বর ০.৮৮। আর নম্বর কমলে করোনা ট্রান্সমিশন রেট তথা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার কমবে। অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যাও কমে যাবে। পাশাপাশি, একজন আক্রান্তের থেকে বেশিজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর হারও কমবে। ট্রান্সমিশন রেটও একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে আসবে, যার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিও কমতে থাকবে।

আর নম্বর কি (এই নম্বর হ’ল করোনা ভাইরাস বা কোনও রোগের ছড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতা নির্ধারণের একটি উপায়।একজন সংক্রামিত ব্যক্তি গড়ে একজন ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত হবে এমন লোকের সংখ্যা এটি)।

আরও পড়ুন: সাদা বাড়ি দখল আর কিছু সময়ের অপেক্ষা… শেষ হাসি হাসবে কে! জোর টক্করে বাইডেন-ট্রাম্প

শুরুতে এই সংক্রমণের হার মাপার জন্য রিপ্রোডাকশন নম্বর তথা ‘আর-নট’ স্কেলের হিসেব প্রয়োগ করছিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ জানাচ্ছেন, গত ৪ মার্চ দেশের আর নম্বর ছিল ১.৮৩। ওই সময় উহানের আর নম্বর ছিল ২.১৪ এবং ইতালির ২.৭৩, যা ভারতের থেকে অনেক বেশি। অর্থাৎ সংক্রমণ ছড়ানোর হার বেশি। ভারতে ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হওয়ার পরে এই নম্বর কমতে থাকে। ৬ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত আর নম্বর নেমে আসে ১.৫৫-এ। জুনের প্রথমে সেটাই পৌঁছয় ১.৪৯ পয়েন্টে। জুনের মাঝামাঝি আরও কমে আর নম্বর থিতু হয় ১.১২ পয়েন্টে। আর নম্বরের এই ধারাবাহিক পতন দেখেই লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আনলক শুরুর পরেই জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই ফের আর নম্বর বেড়ে পৌঁছে যায় ১.১৯-এ। এখন ফের কমে একের নিচে নেমে গেছে।

Related Articles

Back to top button
Close