fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বালির লরি উল্টে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার লরি চালক

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান:  বাড়িতে উল্টে পড়া বালি বোঝাই লরি চাপা পড়ে মা ও ছেলে-মেয়ের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা লরি চালককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম উৎপল ঢক। হুগলির আরামবাগ থানার ঘরগোহাল গ্রামে তার বাড়ি। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ রবিবার সন্ধ্যায় জামালপুরের আঝাপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ঘটনার পরেই পুলিশ লরিটি বাজেয়াপ্ত করেছিল। সোমবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে।  তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৩ দিন পুলিশী  হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সিজেএম সুজিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ধৃতকে ২ দিন পুলিশী  হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃত লরি চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে মৃতর পরিবার।

  আরও পড়ুন- বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল দিনহাটায়

পুলিশ  জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টা নাগাদ  জামালপুরের মুইদিপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। মুণ্ডেশ্বরী নদীর তাঁতিপাড়া খাদান থেকে  লরিতে বালি লোড করে নিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরিটি বাঁধের  রাস্তা থেকে নেমে যায়। ওভার লোডেড লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাঁধের রাস্তার ধারে থাকা একটি মাটির বাড়িতে উল্টে যায়। সেইসময়ে ওই বাড়িতে  থাকা বধূ সন্ধ্যা বাউড়ি, তাঁর ছেলে রাহুল বাউড়ি ও মেয়ে  রিঙ্কু বাউড়ি। তারা লরির নিচে চাপা পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সন্ধ্যাকে উদ্ধার করে  জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বালি সরিয়ে রিঙ্কু ও রাহুলকে উদ্ধার করা হলেও  তারা ততক্ষণে মারা যায়। ঘটনার বিষয়ে প্রশান্ত বাউড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, চালকের গাফিলতিতেই ওভার লোডেড লরিটি উল্টে যায়। তাতে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে মারা যায়। অভিযোগ পেয়ে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ ঘাতক লরি চালকের খোঁজ শুরু করে।

 

Related Articles

Back to top button
Close