fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সোনার দোকানে চুরি, তিন সিভিক ভল্যান্টিয়ারের বুদ্ধিমত্তায় ধরা পড়লো দুষ্কৃতীরা

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: রাতের অন্ধকারে শাটার ভেঙে অলঙ্কারের দোকানে চুরির ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম সাহেব মণ্ডল ও সুখদেব মুদি। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার মাখন্দা ও সুখপুরে ধৃতদের বাড়ি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই জামালপুরের চকদীঘি অঞ্চলের বাসিন্দা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

জামালপুর থানার পুলিশ রবিবার রাতে প্রথম সাহেবকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় চুরির ৩ হাজার ৯০০ টাকা ও রুপোর একটি ব্রেসলেট। চুরির ঘটনায় সুখদেবও জড়িত বলে সাহেব পুলিশকে জানায়। এরপরে পুলিশ রাতেই সুখদেবের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে ধরে। পুলিশের দাবি, সুখদেবের কাছ থেকে ৯০০ টাকা ও একটি ব্রেসলেট উদ্ধার হয়েছে। ওই টাকা ও গহনা তারা বাড়ি সংলগ্ন জায়গায় মাটিতে গর্ত করে পুুতে রেখে দিয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে সোমবার দুই ধৃতকেই পুলিশ পেশ করে বর্ধমান আদালতে। অলঙ্কারের দোকান থেকে চুরি যাওয়া বাকি মালপত্র উদ্ধারের জন্য ধৃতদের ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম রাজরষি মুখোপাধ্যায় ধৃতদের ৩ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: পূর্বস্থলীতে অসংখ্য পাখির মৃত্যু, তদন্তে বনদপ্তর

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে চকদিঘীর মণিরামবাটিতে গোপাল হালদারের অলঙ্কারের দোকানে চুরি হয়। শাটার ভেঙে দোকানে ঢুকে সোনা ও রুপোর গহনা এবং কিছু টাকা নিয়ে পালায় দুস্কৃতিরা। পরের দিন রবিবার সকালে দোকান খুলতে এসে মালিক গোপাল হালদার চুরির বিষয়টি দেখতে পান। সেদিনই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর তিন সিভিক ভল্যান্টিয়ার রণজিৎ মালিক, চিরঞ্জিত সেন, শ্রীমন্ত ঘোষ ও ভিলেজ পুলিশ মুক্ত রুইদাসের বুদ্ধিমত্তায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে অলংকারের দোকানে চুরির ঘটনার কিনারা করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

জেলার পুলিস সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেন, ঘটনার দিন রাতে সাহেবকে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখতে পান তিন সিভিক ভল্যান্টিয়ার। তাঁরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। যদিও সাহেবের কাছ থেকে ওই সময়ে কিছু পাওয়া যায়নি। সেজন্য তাকে ছেড়ে দেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। তবে সাহেব নামে যুবকের ছবি তুলে রাখেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। চুরির কিনারায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের তুলে রাখা ছবিই পরে চোরদের চিহ্নিত করার পথ তৈরি করে দেয়। সেজন্য তাঁদের পুরস্কৃত করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close