fbpx
দেশহেডলাইন

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনে অনুমোদন মোদি সরকারের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এর ফলে এবার অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়ল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, গম, ভোজ্যতেল, তৈলবীজ। পণ্য আইনে বদল আনার প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়ার পাশাপাশি, নয়া অর্ডিন্যান্স জারি করে কৃষিপণ্যের ব্যবসা করা বড় মাপের বেসরকারি সংস্থাগুলি যাতে সরাসরি চাষিদের থেকে ফসল কিনে নিতে পারে, সেই রাস্তাও প্রশস্ত করল নরেন্দ্র মোদি সরকার।করোনাভাইরাস লকডাউনে ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার সময়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কেন্দ্রের এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। সেই পরিকল্পনা মতোই প্রায় সাড়ে ছ’দশকের পুরনো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধন করল কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাবড়েকরের মতে, নয়া অধ্যাদেশ জারি হলে, অনেকটাই নিশ্চিন্ত হবে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সংস্থাগুলি। কৃষিক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্য লালফিতের গেরোয় পড়ার ভয় আর তাদের মনে থাকবে না। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার বলেন, এক দেশ, এক কৃষি বাজার তৈরি হলে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বা রাজ্যের মধ্যে কোনও বাধা ছাড়াই, কৃষিপণ্যের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্ভব হবে। কৃষিপণ্যের লেনদেনকারী বা রপ্তানিকারী সংস্থা বা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থাগুলি সরাসরি চাষিদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তাঁদের বাড়ি থেকে ফসল কিনতে পারবে। সব মিলিয়ে কৃষি ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনার পক্ষেই সায় দিয়েছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: নিসর্গ: প্রাণ কাড়ল চার জনের, অল্পের জন্য বাঁচল বানিজ্যনগরী

এত দিন ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় আইনের ফলে যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন কৃষকরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি ঘোষণা করে মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর বলেন, আইন সংশোধনের ফলে সবরকম খাদ্যশস্য, খাদ্যবীজ, তৈলবীজ, পেঁয়াজ এবং আলুর মতো কৃষিপণ্যে যেমন বিনয়ন্ত্রণ হল, তেমনই ওই অর্ডিন্যান্সের ফলে কৃষকরা প্রক্রিয়াকরণকারী, সংগ্রহকারী, বড় পাইকার, রফতানিকারকদের কাছ থেকে উদ্বৃত্ত অর্থ নিজেদের হাতে পাবেন। করোনার মারে জেরবার কৃষকদের কথা মাথায় রেখে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এর ফলে এবার অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়ল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, গম, ভোজ্যতেল, তৈলবীজ। কৃষকরা এবার থেকে স্বাধীনভাবে নিজের উত্‍পাদিত ফসল যে কোনও বেসরকারি সংস্থা যেমন-শপিং মল বা অন্যান্য মজুতকারীদের কাছে সরাসরি বিক্রি করতে পারবেন। চাষিদের এখন আর শুধুই বিভিন্ন রাজ্যের কৃষিপণ্য বাজার কমিটি নিয়ন্ত্রিত মান্ডিতে গিয়ে ফসল বেচার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

Related Articles

Back to top button
Close