fbpx
কলকাতাহেডলাইন

খুনকে আত্মহত্যা বানিয়ে দেবে, নেতার ময়না তদন্তে অনাস্থা বিজেপি নেতৃত্বের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের আঁচ কলকাতার এনআরএসে। নিহত নেতার মরদেহ নিয়ে প্রচুর বিজেপি কর্মী এলে তাঁদের হাসপাতালের বাইরে আটকে দেওয়া হয়। আর এই ঘটনায় রাজ্যকে খোঁচা দিয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘ রাজ্যের পুলিশ জাদুকর, খুনকে আত্মহত্যা বানিয়ে দেয়।’ হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও অভিযোগ করেন, ‘ ময়না তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। বলতেই পারে উনি নিজেই গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।’

ঘটনা হল নিহত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার এনআরএসে আনা হয়। সঙ্গে ছিলেন প্রচুর কর্মী, সমর্থক। অতিমারি পরিস্থিতিতে এত মানুষকে হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া যাবেনা বলে জানিয়ে দেয় পুলিশ। হাসপাতালের সামনে ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা ঢুকতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। ইতিমধ্যেই কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অর্জুন সিং, অরবিন্দ মেনন, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত হাসপাতালে পৌঁছে যান। শেষ পর্যন্ত পুলিশ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে প্রয়াত বিজেপি নেতার পরিজনদের হাসপাতালে ঢুকতে দেন।

পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘ এটা সাধারণ ঘটনা নয়। আগেও আমাদের নেতা কর্মীদের মেরে গাছের ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পুলিশ জাদুকর। তারা যখন খুশি খুনকে আত্মহত্যা বানিয়ে দেয়। তাই ময়নাতদন্ত চলাকালীন হাসপাতালে ঢোকার প্রয়োজন ছিল।’ পাশাপাশি খুন হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ময়নাতদন্ত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কৈলাস। তিনি বলেন, ‘ এই সরকার কেমন নিষ্কর্মা, অসংবেদনশীল বুঝতেই পারছেন। শেষ দেখা দেখার জন্য প্রয়াত নেতার স্ত্রী, ছোট্ট দুটি বাচ্চা অপেক্ষা করছে।’

আরও পড়ুন: মহামিছিলের অংশ নিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে

রাজ্য প্রশাসন এই ঘটনার সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় ক্ষূব্ধ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ তৃণমূল, পুলিশ যোগসাজশে আমাদের একজন তরুণ নেতা খুন হলেন। সেই পুলিশের উপর কী করে ভরসা থাকবে। আমরা সিবিআই তদন্ত চাই। তবে এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। বাংলার মানুষ বুলেটের জবাব ব্যালটে দেবে।’

Related Articles

Back to top button
Close