fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাজার দরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকার সংখ্যা!

সুজয় অধিকারী: বাড়ছে বাজারদর, খুলেছে ছোট বড় মিলিয়ে কিছু দোকান, এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী চালু হতে চলেছে কিছু সাধারণ যাত্রীবাহী। মঝে আটকে আছে চাকরিজীবীরা। লকডাউন শুরু থেকেই বাড়তে শুরু করেছে চাল, ডাল, আলু, পিয়াজ তেলের মতো খাবার থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। মাথায় হাত সাধারণ মানুষের। একে চাকরি বন্ধ তার পরে বাড়তে থাকা বাজারদর।

৩৮ টাকা কেজির চাল বেড়ে হয়েছে ৫৫ টাকা কেজি, আটা প্রতি কেজি ১০ টাকা করে বেড়েছে, তেলের দাম প্রতি কেজিতে ২০ টাকার মত বেড়েছে। ডাল প্রতি কেজিতে ১০ টাকা আর আলুর দাম ১৮ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে পঁচিশ টাকায়।
দেশে চাল উৎপাদনে প্রথম জেলা বর্ধমান, সেখানেও চালের দাম প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়তে শুরু করেছে। চিন্তায় পড়েছে এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা। বাজারের দাম কোথায় বাড়ছে, পাইকারি তাই নাকি খুচরা ব্যবসায়ীদের হাতে। কালোবাজারি কোথায় হচ্ছে তা দেখার জন্যই বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতি কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। বাজারদরের পুরো ব্যাপারটাকে খতিয়ে দেখার জন্য এক সপ্তা কড়া নজরদারি হবে বাজারদরের উপর। সেখানে কোথাও বাজারদর নিয়ে কালোবাজারি বা খাবার আটকে করে বাজারে কৃত্রিম অভাব তৈরি করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

এদিকে লকডাউনের প্রথম দফা থেকেই কোম্পানির মুখ পর্যন্ত দেখেনি দেশের প্রায় ২-৩ কোটি শ্রমিক। এ ছাড়া ট্রাভেল-ট্যুরিজম, রেস্তোরাঁ, হোটেল, ডেলিভারি বয়, শপিং মলে কাজ করা যাবতীয় কর্মীরা ঘরবন্দী। কাজ না থাকায় প্রথম দফায় মালিক পক্ষের কাছ থেকে কিছু টাকা সাহায্য পেলেও পরে মালিকপক্ষ সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে ব্যাবসায় আয় নিম্নমুখী, তাই কর্মচারীদের আর বাড়িতে বসিয়ে বেতন দেওয়া সম্ভব নয়। দেশের প্রায় ১২ কোটি শ্রমীক এপ্রিল মাসের বেতন পাবে না। লক ডাউন ওঠার পরেও চাকরি যেতে পারে প্রায় সব খাতের শ্রমিকদের। জম্যাটো, সুইগির মত সংস্থাও তাদের অনেক কর্মীদের বাদ দিতে চলেছে। অনেক সংস্থা শুধু ছাঁটাই নয় বেশ কিছু কর্মীদের চার মাসের জন্য ছুটিতে যেতে বলা হয়েছে। আর ছুটিতে থাকাকালীন তাদের অনেক সুবিধা বন্ধ থাকবে।

 

তাহলে কি হবে এই চাকুরিজীবীদের অবস্থা! বাড়তে থাকা বাজারদরের সঙ্গে বেকারত্ব বোঝা মাথায় নিয়ে কি করে সমাজের বুকে টিকে থাকবে এরা!
তবে এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী বা দোকানদাররা বুক বেঁধে তাদের কাজে মন দিতে পারবে লকডাউন উঠলেই।

Related Articles

Back to top button
Close