fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোচবিহার জেলা জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাও রাস্তায় যত্রতত্র মানুষের বিচরণ

জেলা প্রতিনিধি, কোচবিহার: এখনও ২৪ ঘন্টা পার হয়নি, শুক্রবার বিকেলে যে খবরে উত্তাল হয়ে গিয়েছিল কোচবিহার, শনিবার সকালে কিন্তু সেই খবরের ছিটেফোঁটা প্রভাবও দেখা গেল না শহর জুড়ে। টোটো, অটো, সাইকেল, মোটরবাইকে নিত্যযাত্রী, এমনকি রিক্সাও চলছে শহরে। কারণেই হোক অকারণে হোক ঘরের বাইরে বের হওয়া চাই। জোন বলে এখন আর আলাদা করে কোনও অঞ্চল চিহ্নিত করা নেই। এখন রয়েছে ক্যাটাগরি A,B,C।

সেই অনুযায়ী কোচবিহার কোন ক্যাটাগরিতে পড়বে তা এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করে উঠতে পারেনি কোচবিহার জেলা প্রশাসন। সবকিছুই খোলা রয়েছে আগের মতো তাই মানুষের উপস্থিতি ও আগের মতোই।

প্রসঙ্গত, কোচবিহার জেলায় ৩২ জনের শরীরে মিলল করোনা সংক্রমণ। আক্রান্তরা প্রত্যেকেই কোচবিহারের বাসিন্দা বলে গতকালই জানা গিয়েছে। অবশেষে শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়।

এদিন সকালে জেলা শাসক পবন কাদিয়ান এ খবর জানান। তিনি বলেন, নমুনা পরীক্ষা করে ৫৮৯ জনের নেগেটিভ ও ৩২ জনের নেগেটিভ আসে। তাদের স্যাম্পেল কালেক্ট করা হয়েছিল ২০ তারিখ। আক্রান্তদের মধ্যে দিনহাটার শ্রমিক সংখ্যা সব থেকে বেশি।আক্রান্তদের সবাই এসিম্পটোমেটিক ছিল। তাদের সকলকে আজ ভোরের আগেই শিলিগুড়ি হিমাচল বিহার করোনা হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।

স্থানীয় মাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে, আক্রান্ত এই ৩২ জনের বেশ কয়েকজন বিগত কয়েক দিন থেকেই নিজের নিজের এলাকায় ঘুরে বেরিয়েছে। তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের শালমারা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মধ্য মশালডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন অভিযোগ করে বলেন, তার এলাকায় বেশ কয়েকজনের নাম সংক্রমণের তালিকাভুক্ত রয়েছে।

তারা সকলেই বাড়িতে ছিল এবং এলাকায় ঘুরে বেরিয়েছে। এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কোনও বক্তব্য দেয়নি কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দফতর। উপরন্তু জানানো হয়েছে, যারা আক্রান্ত রয়েছেন তাদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই কোয়ারেন্টাইন হয়েছে। তাদেরও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

সচেতনতা, সামাজিক দূরত্ব, ও নিয়ম পালন এটাই একমাত্র ওষুধ সংক্রমণ মোকাবেলার ফেসবুক তথা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় উঠলেও বাস্তবিক চিত্রটা কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা।কোচবিহারের চেহারা দেখলে বোঝার উপায় নেই যে জেলায় ৩২ জন করোনা সংক্রমণ রোগি রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close