fbpx
দেশহেডলাইন

কর্মীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার স্প্রে কোম্পানির মালিকের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন মধ্যে দেশে কিছুটা হলে অপরাধ মূলক কাজ কমে ছিল কিন্তু লকডাউন শিথিল হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল। আনলক পর্ব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশ জুড়ে ফের মাথা চারা  দিয়ে উঠেছে অপরাধ। ধীরে ধীরে ফের নিজের স্বমহিমায় ফিরছে অপরাধীরা। লকডাউনের জন্য দিল্লিতে আটকে পড়েছিলেন একটি চিত্র প্রদর্শনী কোম্পানীর ম্যানেজার। বাধ্য হয়ে তাঁকে একটি লজেই মাস দুই তিনেক কাটাতে হয়। আর সেই নিয়েই বচসা। রাগে কোম্পানির মালিক তাঁকে অপহরণ করে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তাঁর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার স্প্রে করা হয়েছে বলে অভিযোগ।মালিক ও আরও দুই কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই যুবক।

পুলিশে সূত্রে খবর, এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে গত ১৩ ও ১৪ জুন। কিন্তু ২ জুলাই থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করেন ওই যুবক। তারপরেই এই ঘটনা সামনে আসে। জানা গিয়েছে, জানা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্রের কোথরুডে একটি চিত্র প্রদর্শনীর সংস্থায় কাজ করতেন বছর ৩০-এর ওই যুবক। তাঁর কাজ ছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গিয়ে ওই প্রদর্শনী অর্গানাইজ করার। সেই কাজেই মার্চ মাসে দিল্লি এসেছিলেন তিনি। কিন্তু লকডাউনের কারণে তিনি আটকে পড়েন। যেহেতু তাঁর কাছে কোম্পানীর কিছু টাকা ছিল, তা দিয়েই কোনওভাবে দিল্লির একটি লজে থাকতে শুরু করেন। যদিও সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সম্পূর্ণরূপে অবগত করেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, ৭ মে পুনে ফেরেন ওই যুবক। তখন কোম্পানির মালিক ওই যুবককে ১৭ দিনের জন্য একটি হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেন। বাধ্য হয়ে তা করেন ওই যুবক। টাকা না থাকায় বাধ্য হয়ে হোটেল মালিকের কাছে নিজের ফোন ও ডেবিট কার্ড জমা রাখতে হয় তাঁকে।

আরও পড়ুন: ‘গুয়াহাটিতে শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ’, জানালেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা

যুবকের অভিযোগ, ১৩ জুন কোম্পানির মালিক ও আরও এক কর্মী এসে তাঁর কাছে দিল্লিতে খরচ করা টাকা ফেরত চান। তিনি বলেন, সেই মুহূর্তে তাঁর কাছে টাকা নেই। এই নিয়েই বচসা হয়। তারপর জোর করে ওই যুবককে অপহরণ করে গাড়িতে নিয়ে মালিক ও তাঁর সহকারী চলে যান বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ফার্মের অফিসেই ওই যুবককে আটকে রাখা হয়। মালিক ও আরও দুই কর্মী তাঁকে মারধর করেন। তাঁর যৌনাঙ্গ ও অন্যান্য গোপন জায়গায় স্যানিটাইজার স্প্রে করে দেওয়া বলে অভিযোগ। তারপর তাঁকে ছেড়ে দেন তাঁরা। ছাড়া পেয়ে প্রথমে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন ওই যুবক। তারপরে কিছুটা সুস্থ হয়ে থানায় এসে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

Related Articles

Back to top button
Close