fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

এখনো বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের সংকট, ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রাম বাংলার মানুষ

মিলন পণ্ডা, পূর্ব মেদিনীপুর: বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের ফলে বিপর্যস্ত পূর্ব মেদিনীপুর। ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত ফলে বন্ধ বিদ্যুৎ পরিষেবা। এখনো পর্যন্ত গ্রামবাংলায় অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। এর ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মোবাইল পরিষেবা। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে। ঝড় চলে যাওয়ার কয়েক দিন পর ৯০% গ্রামে এখনো বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে দিনের পর দিন বাড়ছে গ্রামের মানুষের ক্ষোভ। বিদ্যুৎ দপ্তর সংস্থাকে জানিও এখনো পর্যন্ত মিলছে না বিদ্যুৎ পরিষেবা। বিদ্যুৎ দপ্তরের দাবি, গ্রামের বহু বিদ্যুতের খুটি ভেঙে পড়েছে। গাছ পড়ে ছিঁড়ে গেছে বিদ্যুতের লাইন। পরিষেবা দেওয়ার জন্য ঠিকাদারের কাছে প্রয়োজন মতো কারিগর নেই। আর সেই কারণে গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল করার ইচ্ছা থাকলেও কিন্তু কোন উপায় নেই। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার কর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিদ্যুতের পরিসেবা স্বাভাবিক করতে দ্রুততার সঙ্গে কাজ শুরু করেছে। বিদ্যুৎ পরিসেবা গ্রামে পৌঁছে দিতে অতিরিক্ত কারিগরি যুক্ত করেছে।

আরও পড়ুন: পাকা ধানে মই দিয়েছে আমফান, মাথায় হাত গলসীর চাষীদের

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কাঁথি, হলদিয়া, দীঘা, এগরা, রামনগর, মেচেদা, পাঁশকুড়া ও মহিষাদল একাধিক গ্রামের বিদ্যুতের লাইন মেরামতের কাজ করছে। বিদ্যুৎ দপ্তরে কারিগরের সঙ্গে কাজ করছে এলাকার যুবকেরা। বিদ্যুৎ না থাকার ফলে গ্রাম বাংলায় পানীয় জলে ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে বন্ধ হয়ে গেছে স্বজলধারা, সাবসার্মিবল পাম্প ও গ্রামের বহু পানীয় জলের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এর জেরে বেশ সমস্যায় পড়েছে গ্রাম বাংলার মানুষ। কোথাও কোথাও আবার পানীয় জলের দাবিতে গ্রামবাসীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। অনেক দূর থেকে পানীয় জল আনতে হচ্ছে। আবার চড়া দামে পানীয় জল কিনে খেতে হচ্ছে মানুষজনকে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক পার্থ ঘোষ জানিয়েছেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিদ্যুৎ দপ্তরে কর্মীরা কাজ করছেন। যাতে খুব তাড়াতাড়ি বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।কোথাও কোথাও ব্লক প্রশাষন পানীয় জল গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close