fbpx
গুরুত্বপূর্ণব্লগহেডলাইন

পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ভয়শূন্য চিত্তে বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিতেই হবে

দিলীপ ঘোষ: আজকের দিনটা পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। একদিকে যেমন খুবই আনন্দের কারণ এই দিনে রাজ্যের প্রতিভাবান সন্তান শ্রী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন আর অন্যদিকে দুঃখের দিন কারণ আজ কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস। ২২শে শ্রাবণ আমাদের কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দুই মহাপুরুষের আমাদের সমাজে তুলনাহীন অবদান এবং তাঁদের জীবনের আদর্শ আমাদের জীবনের পাথেয় আর আমরা যদি ওনাদের দেখানো পথ অনুসরণ করতে পারি তাহলেই আমাদের সোনার বাংলা তৈরির পথ অনেকটা প্রশস্ত হবে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন লেখা পড়ে আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি যে তিনি প্রবল ভাবে একজন স্বদেশী চেতনায় উদ্বুদ্ধ মহাপুরুষ ছিলেন। তার প্রমাণ তিনি মাত্র ষোলো বছর বয়সে দিয়েছিলেন,  যখন ১৮৭৭ সালে ব্রিটিশরা রাণী ভিক্টোরিয়াকে ভারতেশ্বরী ঘোষণা করে, তার বিরোধিতা করে কিশোর রবীন্দ্রনাথ বলে ওঠেন “ব্রিটিশ বিজয় করিয়া ঘোষণা, যে গায় গাক আমরা গাবো না”… ঠিক একই ধারা বজায় রেখে অসহযোগ আন্দোলনের সময় গান্ধীজির গ্রেফতারের প্রতিবাদে  ‘মুক্তধারা’ রচনা করে তাঁর ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করে প্রমাণ করেছিলেন তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে কতটা সোচ্চার। তিনি সাম্রাজ্যবাদী রাজনীতির তুখোড় সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন “ফিডস আপন দেয়ার ডেড ফ্লেশ অ্যান্ড গ্রো’জ ফ্যাট আপন ইট’।

আশ্চর্য সমাপতন! বাইশে শ্রাবণেই প্রয়াত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এই তারিখে জন্মেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগে  ইংরেজ সেনানায়ক ব্রিগেডিয়ার রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নাইটহুড উপাধি ত্যাগ করে লর্ড চেমস্‌ফোর্ডকে কবিগুরু বলেছিলেন “আমার এই প্রতিবাদ আমার আতঙ্কিত দেশবাসীর মৌনযন্ত্রণার অভিব্যক্তি।” যদিও তিনি কখনই কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হননি, তবে তাঁকে ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে দেখা গেছে।  কবিগুরুর ‘মুক্তধারা’ রচনার মূল উদেশ্য ছিল গান্ধীজির নেতৃত্ববাধীন অহিংস আন্দোলনকে সমর্থন করা। তাই তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ, যাকে কিনা ভারতের সামাজিক সমস্যাগুলির প্রধান রাজনৈতিক উপসর্গ বলে তিনি মনে করতেন, তার বিরুদ্ধে বৃহত্তর স্বনির্ভর এবং রুচিমন্ডিত অহিংস গণআন্দোলনের পক্ষে লাগাতার সওয়াল করেছেন।

ইংরেজ শাসক সুপরিকল্পিত ভাবে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে সমাজের মধ্যে একটা আড়াআড়ি জাতিগত বিভাজন আনতে চেয়েছিল যা ছিল বাঙালির তৎকালীন আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার উপর অন্যতম বড় আঘাত। গোটা দেশ যখন বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ঠিক সেই সময় রবীন্দ্রনাথ বহু গান রচনা করেছিলেন। শুধু তাই না, তিনি রাখিবন্ধন উৎসবের মাধ্যমে মানববন্ধনের মহান উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং রাজপথে নেমে সকলের সঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়েছিলেন ‘বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু বাংলার ফল’ যা সমস্ত দেশবাসীর মধ্যে এক প্রবল স্বদেশী স্রোতের প্লাবন বইয়ে দিয়েছিল। তাঁর লেখা কালজয়ী গান “একলা চলো রে” রাজনৈতিক মহলে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।

আরও পড়ুন:দেশবাসী শিক্ষাব্যবস্থায় বদল চেয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

কবিগুরু তাঁর রচনার মধ্যে দিয়ে বার বার ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে অন্য মাত্রা দিয়েছিলেন। এই সময় কবিগুরু হিন্দু-মুসলমান সহ সমস্ত জাতিকে এক সুতোয় বাঁধার চেষ্টা করেছিলেন। তাই তিনি তাঁর সেই অমর সৃষ্টি – যেখান থেকে আমাদের জাতীয় সংগীত নেওয়া হয়েছে – তার দ্বিতীয় ছন্দে লিখেছেন, অহরহ তব আহ্বান প্রচারিত / শুনি তব উদার বাণী/ হিন্দু বৌদ্ধ শিখ জৈন পারসিক মুসলমান খৃস্টানী/পূরব পশ্চিম আসে তব সিংহাসন-পাশে/ প্রেমহার হয় গাঁথা।

কবিগুরুর স্বদেশভাবনার সরলীকরণ করা বেশ জটিল কাজ। তাঁর স্বদেশভাবনা সমাজভাবনার সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, সেখানে তাঁর প্রধানত দুটি উপলব্ধি রয়েছে – প্রাচীন ভারত ও সনাতন ভারত – যার মুল উদ্দেশ্য ছিল সমতাভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার গঠন। কবি বিশ্বাস করতেন যে যদি বাঙালির জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হয় তাহলে ভাষার ঐক্য, ভাবের ঐক্য, চিন্তার ঐক্য ও সাহিত্যের ঐক্যর মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে পারলেই সে কাজ সম্পন্ন করা যাবে।

তাই সে যুগে যখন ব্রিটিশ পরিচালিত শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজ একদিকে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো মানুষ করছিলেন, রাজা রামমোহন রায় সতীদাহের মতো কুপ্রথার বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করে হিন্দু সমাজের সংস্কারের পথ অনেকটা প্রশস্ত করেছিলেন, তখন অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর স্বদেশভাবনার পূর্ণ ব্যাখ্যা ‘স্বদেশি সমাজে’ এবং ‘অবস্থা ও ব্যবস্থায়’ রচনার মাধ্যমে জনমানসে প্রকাশ করছেন। তিনি স্বনির্ভর জাতীয় প্রতিষ্ঠান, স্বশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন। শুধু তাই নয় ছাত্রদের ওপর ব্রিটিশ শাসক দ্বারা ক্রমাগত সংঘটিত রাজনৈতিক আক্রমণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তিনি শিক্ষার ভার নিজেদের হাতে রাখার দাবি তুলছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী কবিগুরুর দেখানো পথেই হাঁটছেন তা সেই শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হোক বা সমস্ত ভারতবাসীকে আত্মনির্ভর হওয়ার দিকে অগ্রসর করানো হোক। ভারত অনেক সম্ভাবনার দেশ আর সেই কথা মোদীজি তাঁর ছয় বছরের কর্মকান্ডে বার বার  প্রমাণ করেছেন যে তার কাছে দেশের উপরে অন্য কোনও স্বার্থই গুরুত্বপূর্ণ নয়।

যে আশঙ্কা থেকে কবিগুরু আজ থেকে একশো বছর আগে এক স্বচ্ছ নীতিভিত্তিক, অহিংস রাজনৈতিক বাতাবরণের আহ্বান করেছিলেন আজও তা সবার কাছে বড্ড প্রাসঙ্গিক, বিশেষ করে আমাদের রাজ্যে। রাজনীতিকে কেন্দ্র করে হিংসা আমাদের দেশে নতুন কোনও আলোচনার বিষয় নয় কিন্তু প্রশ্ন হল যে শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে তৃণমূল সরকার গঠন করেছিল তার কোনও প্রতিফলন কি এই রাজ্যে গত ন’ বছরে আমরা দেখতে পেয়েছি? এ রাজ্যে একসময় রাজনৈতিক হানাহানি ছিল মাত্রাহীন আর সেই কথা মাথার রেখে তৃণমূলের সমর্থকরা তাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছিলেন কিন্তু গত কয়েক বছরে কি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক হিংসার চরিত্র এক ফোঁটা বদলেছে?  তৃণমূলের খুব কাছের মানুষও কি মমতার ব্যানার্জির কাছে তার পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা আশা করেন? কংগ্রেস আমলই হোক বা বাম জমানা বা বর্তমান সরকারের শাসনকাল, এরা কেউই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পারেনি। এদের মধ্যে কোনও তফাৎ নেই। এরা সবাই দমন নীতিতে বিশ্বাস করে তাই তারা বিরোধীশূন্য সরকার গঠনে এতো আগ্রহী। মুখে যতই এঁরা গণতন্ত্রের হরিনাম জপ করুক না কেন এঁদের সমস্ত কার্জকলাপই গণতন্ত্র বিরোধী।

আরও পড়ুন:বিপুল ভোটে জিতে ফের শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে, অভিনন্দন মোদির

আজ যদি কবিগুরু আমাদের মধ্যে থাকতেন তাহলে এই সর্বগ্রাসী তৃণমূলের জন্য কি লিখতেন খুব জানতে ইচ্ছে করে? এই সরকার রাস্তার মোড়ে মোড়ে ঘটা করে রবীন্দ্রসংগীত বাজায় কিন্তু আজ এটা সবাই বুঝেছে ওটা শুধুমাত্র ‘প্লেয়িং টু দা গ্যালারি’ ছাড়া আর কিছু নয়। যদি তা না হতো তাহলে কবিগুরুর আদর্শ মেনে তারা অন্তত আমাদের মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের উপর এমন নির্মম আক্রমণ নামিয়ে আনতেন না আর আমাদের শতাধিক দলীয় কর্মীকেও অকালে প্রাণ হারাতে হত না।

কবিগুরুর মৃত্যুর ঠিক সত্তর বছর পূর্বে এই একই দিনে আরও এক কিংবদন্তি জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সম্পর্কে তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভ্রাতুষ্পুত্র। বাংলা তথা ভারতের গৌরবগগনে নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল যে-সকল মনীষীরা প্রজ্ঞারশ্মি বিচ্ছুরণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম বাঙালির অতিপ্রিয় ‘অবন ঠাকুর’। তাঁর আঁকা, লেখা একদিকে যেমন জাতীয়তাবাদের প্রেরণা যুগিয়েছে, অন্যদিকে বর্ণময় করেছে শৈশব বা কৈশোরকালীন মানস কল্পপট। আবার কখনও তাঁর লেখাতেই ছবির মতো পরিস্ফুট হয়েছে ইতিহাসের কথকতা। বহু প্রতিভার আকর, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির পরম্পরা, ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকারকে কেবল ধারণ করেননি তিনি, এক অনন্য উচ্চতায় উন্নীতও করেছিলেন। তাঁর আঁকার মতো তিনি নিজেও বর্ণময়তার এক কোমল প্রকাশ। তাঁর মণীষার মণিচ্ছটায় আলোকিত হয়েছে বাংলা তথা ভারত। এই সব মহাজীবনের অন্বেষণে আমাদের চেতনা নবভাবে উদ্বুদ্ধ হোক।

রবীন্দ্রনাথের দ্বারা অবনীন্দ্রনাথ ব্যক্তিগতভাবে অনুপ্রাণিত হলেও, তাঁর লেখা ছিল সম্পূর্ণ মৌলিক। রবীন্দ্র-সমকালীন বা রবীন্দ্রোত্তর যুগের সাহিত্যিকদের মতো তাঁর লেখায় ‘রবীন্দ্র প্রভাব’ একেবারেই ছিল না। অথচ, সমকালীন অনেক সাহিত্যিকের থেকে তিনি রবীন্দ্রনাথকে অনেক বেশি কাছে পেয়েছেন, সঙ্গ করেছেন, অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত হয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘অবনীন্দ্রনাথ দেশকে আত্মগ্লানি, আত্মনিন্দার হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফিরিয়ে দিয়েছে প্রাপ্য সম্মান। বিশ্ববাসীর যে আত্মোপলদ্ধির মর্যাদা, এই দেশকেও তার সমান অধিকার দিয়েছেন’। বস্তুতই তাঁর শিল্পরীতি ছিল সম্পূর্ণ ভারতীয়। অবনীন্দ্রনাথের জীবদ্দশাতেই দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল সেই শিল্পধারা। শিল্পচেতনা দিয়েই তিনি ভারতবর্ষকে সম্মানিত করেছিলেন বিশ্বদরবারে। বাংলার শিল্পরীতির মুকুটে ‘আধুনিকতা’-র পালক লাগিয়েছিলেন। শিল্পাচার্য রূপে সেই আধুনিক নব্যবঙ্গীয় শিল্পরীতির বীজ বপন করে গেছিলেন নন্দলাল বসু প্রমুখ অগণিত ছাত্রের মধ্যে। এই ভাবেই অবন ঠাকুর জাতি গঠন ও সারস্বত সাধনায় তাঁর মৌলিক অবদান রেখে গেছেন। আজ আমরাই সেই মহতী উত্তরাধিকারের ধারক ও বাহক।

আরও পড়ুন:সঙ্কটে রবীন্দ্র আদর্শ

আবার ফিরি কবিগুরুর কথায়। রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধীজির মধ্যে রাজনৈতিক মতভেদের আভাস অসহযোগ আন্দোলনের সময় কিছুটা পাওয়া গিয়েছিল। তিনি গান্ধীজিকে উদ্দেশ্য করে লেখেন ‘‘আপনার শিক্ষা বিধাতার সাহায্য নিয়ে অহিংসার পথে লড়াইয়ের শিক্ষা৷ কিন্তু, এমন লড়াই শুধু নায়কদের জন্য সম্ভবপর, সাধারণের জন্য নয়৷ সাধারণ মানুষ মুহূর্তের উন্মাদনায় উদ্দীপ্ত হয় বারবার৷ তাই, অন্যায়ভাবে সে উদ্যম প্রতিহত হলে অপমানজনক সন্ত্রাস আর হিংসা সহজেই সেই লড়াইয়ের পথ হয়ে উঠতে পারে।” তাঁর লেখা থেকে এটা বোঝা যায় সমাজে যদি নিপীড়ন এবং অত্যাচার মাত্রাহীন হয় আর তা যদি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারের দ্বারা সংঘঠিত হয় তাহলে সেই পীড়িত মানুষগুলো একদিন প্রতিবাদ করবেই। তবে আমাদের দল হিংসায় বিশ্বাস করে না। তাই আজ গুরুদেবের ঊনআশিতম মৃর্ত্যুবার্ষিকীতে সমস্ত রাজ্যবাসীর কাছে আমাদের সশ্রদ্ধ নিবেদন এবং আবেদন যদি পশ্চিমবঙ্গের পবিত্র মাটিকে রাজনৈতিক হিংসামুক্ত করতে হয় তাহলে গণতান্ত্রিক অধিকারের মাধ্যমে আপনারা আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এই হিংসাসর্বস্ব তৃণমূল সরকারের পতন ঘটাবেন এবং রাষ্ট্রহিতের কথা মাথায় রেখে বিজেপিকে সরকার গঠনের সুযোগ করে দেবেন। আসুন সবাই মিলে এই অঙ্গীকার করি যে শাসক যতই আমাদের উপর জুলুমবাজি করুক না কেন আমরা হতোদ্দম হব না। লড়াই চলছে, চলবে। তাই বিশ্বকবির কবিতা দিয়েই আমার লেখা শেষ করব:

চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির/ জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর…..

Related Articles

Back to top button
Close