fbpx
কলকাতাহেডলাইন

এখানে পুলিশকে রাজনীতিকরন করা হয় না: ফিরহাদ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পুলিশকে বরাবরই রাজনীতিকরনের থেকে আলাদা রাখা হয়েছে। তোপ দেগে পাল্টা দাবি করলেন ফিরহাদ। রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে বারবারই নিশানা করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তেমনই শনিবার বেলঘরিয়ায় চা চক্রে বিজেপি রাজ্য সভাপতি যোগ দিয়ে পুলিশকে কটাক্ষ করেন।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তার পাল্টা বিরোধিতায় সুর চড়ালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা পুর প্রশসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে অন্যা ন্য জায়গার মত পুলিশকে রাজনীতি করণ করা হয় না। বিভিন্ন প্রদেশে পুলিশের অপ ব্যবহার করা হচ্চে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে পুলিশ নিরপেক্ষ।’
একুশে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততোই বাড়ছে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ। শাসক বিরোধী দলগুলি কেউ কারোর ত্রুটি পেলেই ঝাঁপিয়ে পড়ছে দোষারোপ করতে। এর মধ্যেই রোজ চরমে উঠছে তৃণমূল ও বিজেপির বাকযুদ্ধ। এদিন পুলিশকে বেনোজির আক্রমণ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এরপরেই দিলীপ ঘোষকে পাল্টা কটাক্ষ করে পুরমন্ত্রী বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশে যেসব পুলিশ বিনা বিচারে বিচারাধীন বন্দিদের এনকাউন্টার করছে, তাদের তাহলে কি পরা উচিত?’ পুরমন্ত্রীর দাবি, ‘বাম আমলে সমস্ত অরাজকতা পেরিয়ে এসে, মমতা সরকারের জামানাতেই পূর্ণ স্বাধীনতায় কাজ করছে পুলিশ। আসলে দিলীপবাবু যেটা মুখে বলছেন সেটা নিজেও মনে প্রাণে জানেন পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ কি কাজ করছে।’
অন্যদিকে এদিন দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন পুলিশ রাজ্য সরকারের তাবেদারী করছে। আর যারা ভালো কাজ করছে তাদের কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে কম্পালসারী ওয়েটিং বলে কিছু নেই। পুলিশ কারো তাবেদারি করে না। আর কাউকে কম্পালসারি ওয়েটিংয়েও পাঠানো হয় না। এখানে পুলিশ নিজের মত পূর্ণ স্বাধীনতায় কাজ করে। দাঙ্গাবাজদের রুখতে গেলে তখন পুলিশ নিরপেক্ষ না হলে দাঙ্গা আটকাবে কেমন করে? পুলিশ দাঙ্গা আটকাবে। ক্রাইম আটকাবে। এটাই পুলিশের কাজ। পুলিশ নিজে বিচার করেনা তাই কোর্টে নিয়ে যাবে। দিলীপ বাবুদের রাজ্যে এসব হয় না। তাই উপলব্ধি করার ক্ষমতা নেই। সে জন্য যা খুশি তাই বলছেন।’
তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের কোথায় এদিন ফিরহাদ বলেন, ‘হাজার হাজার লোক প্রতিদিন বিজেপি থেকে তৃণমূলে চলে আসছে। সেন্ট্রাল গভমেন্ট আছে বলে লোভ দেখাচ্ছে, নয়তো এজেন্সির ভয় দেখিয়ে দলে নিয়ে যাচ্ছে। যারা ভয় পায় না তারা বুক চিতিয়ে রাজনীতি করে। আর যারা ভয় পায় তারা মাথা নত করে ওই দলে গিয়ে যোগ দেয়। আমাদের কাছে এসব কোনো ফ্যাক্টর নয়। মানুষ আমাদের কাছে ফ্যাক্টর। মানুষের সঙ্গে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছে মানুষ। আর তৃণমূলী জান-প্রাণ দিয়ে লড়াই করে এখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে।’

Related Articles

Back to top button
Close