fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পালা পার্বন থেকে শুরু করে বন্ধ বিয়ে, আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে মৃৎশিল্পীরা

দুঃখ ভঞ্জন পরামানিক,বরাবাজার,পুরুলিয়া: পালা পার্বণ হোক কিংবা সামাজিক কোনো অনুষ্ঠান, যেকোনো কাজেই মাটির পাত্রের প্রয়োজন অবশ্যম্ভাবী। আমাদের গ্রামীণ এলাকাতে মাঘ মাস থেকে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত চলতে থাকে বিবাহ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে মাটির তৈরি বিভিন্ন ধরনের পাত্রের প্রয়োজন হয়। আবার রুখা মাটির দেশ পুরুলিয়াই চৈত্র মাস থেকে শুরু হয় পাড়ায় পাড়ায় হরিবোল এবং চৈত গাজন।এই সার্বজনীন উৎসব গুলিতেও বিভিন্ন রীতি নিয়মের জন্য প্রয়োজন হয় মাটির হাঁড়ি,সরা , ভাঁড়,প্রদীপ, ইত্যাদি মাটির তৈরি পাত্রের। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে লকডাউনের জেরে সবকিছুই বন্ধ। না হচ্ছে বিবাহ অনুষ্ঠান, না হচ্ছে কোন সামাজিক পালা পার্বন। বন্ধ সবকিছুই। ফলে আর্থিক সংকটে পড়েছেন বরাবাজার ব্লকের সিন্দরী গ্রামের মৃৎশিল্পীরা।

আরও পড়ুন: ১০০ টি পরিবারে হাতে খাদ্য সামগ্রিক দিতে গিয়ে ৩২টি পরিবার যোগ দিল তৃণমূলে

গ্রামের মৃৎশিল্পী গণেশ কুম্ভকার জানান মাঘ মাস থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সামাজিক পালা-পার্বণ ও অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। সেগুলিতে মাটির তৈরি বিভিন্ন ধরনের পাত্রের প্রয়োজন পড়ে। ফলে এই সময় আমাদের ব্যবসার একেবারে প্রকৃত সময়। আর এ বছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের জেরে লকডাউন এর জন্য সবকিছুই বন্ধ। ফলে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে। এছাড়া অপর এক মৃৎশিল্পী রঞ্জিত কুম্ভকার জানান রেশনের চাল ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে আর কোনো আর্থিক সহায়তা এখনো আমরা পাইনি। এই পরিস্থিতিতে যদি সরকার আমাদের বিষয়ে আরেকটু সহৃদয় হোন তাহলে খুবই ভালো হয়। তা নাহলে লকডাউন যত বেড়ে চলেছে আমাদের আর্থিক সংকট‌ও ঠিক ততটাই বাড়ছে দিন দিন।

Related Articles

Back to top button
Close