fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শোভাবাজার রাজবাড়ির আদলে সেজে উঠছে দিনহাটা মহামায়া পাট ব্যায়াম বিদ্যালয়ের পুজো মণ্ডপ

জেলা প্রতিনিধি, দিনহাটা: দুর্গাপুজোর পরে বছর করোনা আবহে কালীপুজোতে ও সরকারি বিধি নিষেধ যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয় তার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের পাশাপাশি উদ্যোক্তারাও। আর সেই লক্ষ্যে পুজোর ৬০ তম বর্ষে খোলামেলা পুজোমণ্ডপ তৈরি করছে দিনহাটা মহামায়া পাট ব্যায়াম বিদ্যালয়। দিনহাটার বিগ বাজেটের পুজোগুলির মধ্যে ব্যায়াম বিদ্যালয়ের পুজো অন্যতম। এবছর কলকাতার শোভাবাজারের রাজবাড়ির দুর্গা মণ্ডপের আদলে পুজোমণ্ডপ তৈরি করছে পুজো উদ্যোক্তারা। স্থানীয় শিল্পী জয়ন্ত সাহা সহযোগী শিল্পীদের নিয়ে দুর্গাপুজোর পর থেকেই পুজো মণ্ডপ তৈরির কাজ করছে। পাশাপাশি এবছর কোনও রকম অনুষ্ঠান হচ্ছে না। উল্লেখ্য প্রতি বছর পুজো উপলক্ষ্যে সাত দিনব্যাপি শরীরচর্চার ওপর প্রতিযোগিতামূলক নানা অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

দিনহাটার এই পুজো প্রতিবছর দর্শনার্থীদের বিশেষ নজর কাড়ে। প্রতিবছর পুজো উদ্যোক্তারা নতুন নতুন চিন্তাভাবনা তুলে ধরে পুজোমণ্ডপে। কিন্তু এ বছর করোনাকালে ছবিটা অনেকটাই আলাদা। তাই বড় পুজোর আয়োজন করার ইচ্ছে থাকলেও সরকারি বিধি নিষেধের ফলে করতে পারছেন না।

ব্যায়াম বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছর পুজোর পাশাপাশি সাত দিনব্যাপি শরীরচর্চার ওপর আয়োজিত হয় নানা অনুষ্ঠান। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় দেহ সৌষ্ঠব প্রতিযোগিতা। এ বছর সব রকম অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।
পুজো কমিটির সম্পাদক হিমাদ্রি সরকার বলেন, “খোলামেলা পুজোমণ্ডপ হিসেবে কলকাতা শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গামণ্ডপের আদলে পুজোমণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। সেই সঙ্গে মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিমাতেও থাকছে বৈচিত্র্য। পুজো মণ্ডপে যাতে কোনওভাবেই দর্শনার্থীদের ভিড় না হয় তার জন্য থাকছে অধিক সংখ্যায় ভলেন্টিয়ার্স। দূর থেকেই পুজোমণ্ডপ ও প্রতিমা দর্শন করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।”

আরও পড়ুন: এই নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যেই আধার ও প্যান সংযুক্তিকরণ করতে হবে, জানিয়ে দিল কেন্দ্র

বিদ্যালয়ের সেক্রেটারি জেনারেল রঞ্জন সাহা বলেন, “এবছর ৬০ তম বর্ষে পুজো হলেও করোনা আবহে সাত দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানকে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও তৈরি হচ্ছে খোলামেলা পুজোমণ্ডপ। শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গামণ্ডপের আদলে স্থানীয় শিল্পী পুজোমণ্ডপ তৈরি করছে। এছাড়াও আলোকসজ্জাতেও থাকছে অভিনবত্ব। অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও পুজোমণ্ডপকে আলোকমালায় সাজিয়ে তোলা হবে। কোনওরকম শব্দবাজি কিংবা আতশবাজি পুজো মণ্ডপে আশপাশ এলাকায় যাতে কোনওভাবেই না ফোটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ বছর তাদের পুজোমণ্ডপের পুজো শুধুমাত্র আলোর উৎসবে পরিণত হচ্ছে।”

Related Articles

Back to top button
Close