fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

টানা বৃষ্টিতে জলবন্দি মানুষ, করোনা আবহে আতঙ্কে শহরের বাসিন্দারা

মিল্টন পাল, মালদা: টানা বৃষ্টিতে জলবন্দি মানুষ। করোনা আবহে নোংরা জল আতঙ্কে  মালদার ইংরেজবাজার পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। বারবার স্থানীয় প্রশাসন থেকে পুরো প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে জানালেও জল বের করা নিয়ে কোনও সুরাহা করেননি তাদের। ফলের ৬ মাস ধরে জলবন্দি হয়ে রয়েছে এলাকার মানুষেরা। মঙ্গলবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় মালঞ্চপল্লী এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভ চলে টানা ২ ঘন্টা ধরে। ফলে জাতীয় সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। অবশেষে সদর মহকুমা শাসকের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় এলাকার বাসিন্দারা।

জানা গিয়েছে যে, গত ছয় মাস ধরে জলবন্দি মালঞ্চপল্লী, নেতাজী কলোনি সহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষজন। বৃষ্টির কারণে শহরের সমস্ত জল এই মালঞ্চপল্লী এলাকা দিয়ে বের হয়। বর্তমানে প্রচুর বৃষ্টির কারণে সেই জল দাঁড়িয়ে পড়েছে।  যার ফলে তিন নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে ওঠে। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে এলাকায় জলমগ্ন থাকলেও স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুর প্রশাসন জল বের করার কোনও উদ্যোগ নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকার বাসিন্দারা কাউন্সিলর ও পুর প্রশাসনকে জানালেও তারা এই জল বের করার ব্যাপারে কোনো সুরাহা করেনি। যার ফলে দিনের পর দিন জল পঁচে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে এমনকি পোকামাকড় ঘরের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে।

[আরও পড়ুন- ‘পুজো আসছে বলে করোনাকে অবহেলা করা যাবে না’, প্রশাসনিক সভা থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর]

প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকাল থেকেই মালঞ্চপল্লী ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে এলাকার বাসিন্দারা। তাদের দাবি অবিলম্বে এই জল বের করার কাজ শুরু করুক জেলা প্রশাসন। এই অবরোধ চলে দুই ঘন্টা ধরে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ও সদর মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে পৌঁছে জল বের করার আশ্বাস দিলে এলাকার বাসিন্দারা অবরোধ তুলে নেন।

আর এই নিয়ে সরোব হয়েছেন জেলা বিজেপি। জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন, বিভিন্ন ওয়ার্ডে জল জমে রয়েছে ছয় মাস ধরে। সম্পূর্ণ জলটা ড্রেনের জল। আজকে ওই এলাকার মানুষদেরকে নোংরা জল ও সাপের সঙ্গে বসবাস করতে হচ্ছে। প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই। স্থানীয় বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ১৫ দিনের মধ্যে জল বের না হলে আমরা জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাব।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close