fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর ধানের জমি থেকে উদ্ধার যুবকের পচাগলা মৃতদেহ

মিলন পণ্ডা, পূর্ব মেদিনীপুর: টানা তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে ধানের জমি থেকে পচাগলা সদ্য বিবাহিত এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অনেকের পরিকল্পিত খুনের ঘটনার বলে অভিযোগ তুলেছেন। এই মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে একাধিক গুঞ্জন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জুনপুট উপকুল থানার নয়াপুট এলাকায়। শুক্রবার গভীর রাতে বাড়ি সংলগ্ন ধানের জমি থেকে পচাগলা অবস্থায় ধানের জমি থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম গোবিন্দ দাস (২৯)। মৃত স্ত্রী সহ বাকি পরিবারের সদস্যকে প্রাথমিক ভাবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত গোবিন্দ এলাকায় রঙের কাজ করত। গত চার মাস আগে এক যুবতীকে বিয়ে করে গোবিন্দ। বিয়ের পর থেকেই সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে গোবিন্দ প্রায়ই বচসা হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি। গত মঙ্গলবার সকাল বাড়ি থেকে গোবিন্দ আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লোকেরা খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পরও পরিবারের লোকেরা থানায় কোন মিসিং ডায়েরি করেননি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি সংলগ্ন কিছু দূরে ধান জমিতে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। তারপরে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসেই ধান জমি থেকে পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিশ। তিনদিন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশকে না জানানোর জন্য এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের রহস্যের দানা বেঁধেছে।

আরও পড়ুন: জীবন জীবিকার জন্য ১৫ জুন থেকে ফের সমুদ্রে যাবেন মৎস্যজীবীরা

নয়াপুট গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান অসিত গিরি বলেন মৃত গোবিন্দ এলাকায় রঙের কাজ করতো। পরিকল্পিত ভাবে খুনের ঘটনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করলেই প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পাবে। জুনপুট উপকূল থানার ওসি রাজু কুন্ডু বলেন মৃতদেহটি উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্টে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারন পরিস্কার হবে। মৃতদেহের পাশ থেকে একটি বিষের শিশি উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ বা কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close