fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পাট্টার দাবিতে রাজ্যের বিধায়ক ও সাংসদদের চিঠি পাঠাল বস্তি কল্যান সমিতি

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে বসবাস করেও পাট্টা না পাওয়ার অভিযোগ। আর তার প্রতিবাদে সরব দুর্গাপুর ১ নং ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর, ধোবীঘাট, মধুপল্লি সহ সাতটি বস্তির বাসিন্দারা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল সংলগ্ন বস্তি কল্যান সমিতি বৃহস্পতিবার পাট্টার দাবিতে রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক ও সাংসদদের কাছে আবেদন পত্র পাঠায়। দুর্গাপুর পুরসভার ১ নং ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর, মধুপল্লী, ধোবীঘাট, কমলাইতলা, খাটগড়িয়া বিজুপাড়া বস্তিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবারের বসবাস। বেশীরভাগই দিনমজুর পরিবারের। নাগরিক পরিষেবায় পানীয় জল, বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। পেয়েছে রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড। অভিযোগ, নাগরিক পরিষেবা জুটলেও জোটেনি মৌলিক অধিকার বসত জমির পাট্টা। আর পাট্টা না পাওয়ার ফলে  প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ব্যাঙ্ক ঋণের সুবিধা পাচ্ছেন না। সেইকারণে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল সংলগ্ন বস্তি কল্যান সমিতি গঠন করেছে বাসিন্দারা। ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে জনমত গঠন করছে এলাকায়। শুরু করেছে মিছিল মিটিং। এবার পাট্টার দাবিতে রাজ্যের ৪২ জন সাংসদ ও ২৯৪ জন বিধায়ককে চিঠি পাঠাল সংগঠনের পক্ষে বস্তিবাসী। বৃহস্পতিবার ওই সমস্ত চিঠি পোষ্ট করেন তারা।

[আরও পড়ুন- বাড়িতে টবে ধনেপাতা চাষ]

সংগঠনের সম্পাদক কৃষ্ণ মাল জানান,” ১৯৯৪ সালে ওই বসত জমিটি দুর্গাপুর ইস্পাত কর্তৃপক্ষকে শর্ত সাপেক্ষে রাজ্য সরকার দিয়েছে। ইস্পাত কর্তৃপক্ষ জমিটি এখনও পর্যন্ত কোন কাজে ব্যবহার করেনি। বসত জমিটি স্থায়ীকরনের দাবিতে বহুবার রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি। কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি প্রশাসনের। অসহায় হতদ্ররিদ্র হয়েও প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনায় বাড়ি পাইনি। ব্যাঙ্কের কোনরকম ঋণ পাইনা। তাই আমরা আন্দোলনের রাস্তায় নেমেছি।”

বাসিন্দাদের আরও দাবি,” দুর্গাপুর ইস্পাতের জমি ফিরিয়ে নিয়ে বেরসকারী, হাসপাতাল, রিয়েলএস্টেটকে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি শহরের অন্যত্র পাট্টাও দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের পাট্টা দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের প্রতি দ্বিচারিতা করা হচ্ছে।”

এদিন বস্তিবাসীরা জানান,” পাট্টার দাবিতে রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক, সাংসদদের চিঠি পোষ্ট করলাম। তারপরও যদি পাট্টা না পাই, আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।”

স্থানীয় ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিপ্রা সরকার জানান,” বিষয়টি রাজ্য ভূমিরাজস্ব দফতরে জানিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার চিন্তাভাবনা করছে।”

Related Articles

Back to top button
Close