fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আমজনতার পাশে রাজ্য সরকার,  CESC কে নোটিস পাঠাতে পারে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভিলেন CESC. মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুতের বিল নিয়ে সরব সাধারণ মানুষ থেকে সেলেবরা। চিন্তায় ঘুম উড়েছে আম জনতার। একদিকে করোনার জেরে লকডাউনের কারণে অনেকেই চাকরি খুইয়েছেন। আবার চাকরি থাকলেও সেভাবে বেতন মিলছে না। সব মিলিয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন। এদিকে এই নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে চূড়ান্ত সংঘাত দানা বেঁধেছে CESC-র সাধারণের সমস্যা হবে এমন কাজ কিছুতেই বেসরকারি ওই বিদ্যুৎ সংস্থাকে করতে দেওয়া হবে না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

নবান্নের তরফে অ্যাডভাইজরি পাঠানোর ভাবনাচিন্তাও চলছে। শুধু তাই নয় সূত্রের খবর, এবার CESC-কে নোটিস পাঠাতে পারে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর।

আরও পড়ুন:রাজস্থানে বিজেপির বিরুদ্ধে বিধায়ক কেনাবেচার অভিযোগ, খতিয়ে দেখতে সিট গঠন গেহলট সরকারের

আরও পড়ুন:‘পুলিশ সবচেয়ে বড় গুন্ডা’ নাম না করে ব্যারাকপুরের ডেপুটি কমিশনারকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে জানিয়েছেন, ‘লকডাউনের ঠিকমতো মিটার রিডিং নেওয়া হয়নি। তার পরে এত বিল কিভাবে আসছে!এই অবস্থায় নাজেহাল মানুষ’।

জানা গেছে, সোমবার বেসরকারি ওই বিদ্যুৎ সংস্থাকে নোটিস পাঠাবে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর। এছাড়া ওইদিন CESC’র সদর দফতর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখাবে রাজ্যের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সংগঠন অ্যাবেকা।

শুক্রবার বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন CESC’র দুই কর্তা। কেন এমন অস্বাভাবিক বিল আসছে, তার কারণও ব্যাখ্যা করেন তাঁরা।

আরও পড়ুন:‘পুলিশ সবচেয়ে বড় গুন্ডা’ নাম না করে ব্যারাকপুরের ডেপুটি কমিশনারকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

CESC’র দাবি, করোনা সংক্রমণের জেরে মার্চ থেকে লকডাউন জারি করা হয়। তার ফলে বেশ কয়েকমাস বন্ধ ছিল মিটার রিডিং নেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই এপ্রিল ও মে মাসে অনুমানের ভিত্তিতে বাৎসরিক গড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের নিরিখে বিল পাঠানো হয়েছে। তবে তা বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অনেক কম। জুন থেকে ফের মিটার রিডিং শুরু হয়েছে। বাড়তি ইউনিট বিলে যুক্ত হয়েছে। তার উপর আবার গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ খরচ হয় তুলনামূলক বেশি। তাই অতিরিক্ত বিল দেখে বিরক্ত হচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু CESC যতই যুক্তি খাড়া করুক না কেন, এই ভূতুড়ে বিল নিয়ে আমজনতার মধ্যে ক্ষোভের পারদ প্রশমিত হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close