fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সুপ্রিম কোর্টের কাছে থাপ্পড় খেয়েছে রাজ্য সরকার, রানাঘাটে  বললেন দিলীপ ঘোষ

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য শীর্ষ আদালতের নিশানায়। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা এবং করোনায় মৃতদের নিয়ে চরম অব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। হাসপাতালগুলিতে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা কী ভাবে চলছে, পরিকাঠামোর অবস্থা কী—এ সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট-সহ হলফনামা জমা দিতে বলা হল দিল্লি, মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নদীয়ার রানাঘাটে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের কাছে থাপ্পড় খেয়েছে রাজ্য সরকার। কানমোলা আগেই খেয়েছে। এখন কান ধরে ওঠাবসা করছে সবুজ শিবির।

এদিন রানাঘাটে বিজেপির পার্টি অফিসে এক কর্মী সম্মেলনে আসেন বিজেপি সাংসদ ও রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর ও রাজ্য সরকারের সংঘাত প্রসঙ্গে বলেন, টাইমপাশের জন্য রাজ্যপালের সঙ্গে ঝগড়া করেন মুখ্যমন্ত্রী। গালাগালি দিয়ে সাধারণের মুখ বন্ধ করতে চেয়েছেন তিনি। কিন্তু এখন রাজ্যের দুর্নীতি প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কোনো কাজ নেই তৃণমূলের।  আমফানের ত্রাণ বিতরণ নিয়ে শাসক দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন তিনি। বলেন, অনেকেই ত্রাণ পাচ্ছেন না। ত্রাণ নিয়ে স্বজনপোষণ হচ্ছে। এই সরকার ধোঁকাবাজিতে চলছে। মুখ্যমন্ত্রী এত মিথ্যা কথা বলেন যে গল্প আর চলছে না। প্রকাশ্যে চলে এসেছে দুর্নীতি। লক ডাউন মানছেন না অনেকেই। এরকম স্বৈরাচারী ও নির্মম সরকার আগে দেখিনি।

আরও পড়ুন: পথে নামল অতিরিক্ত বাস, রাস্তায় ভরসা সেই সরকারি বাস

পাশাপাশি নদীয়ার রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে হোম করেন্টাইনে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন রকম ভাবে চাপ দিতে থাকে জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও পুলিশ প্রশাসন। এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির সাংসদ দের আটকেছেন। কেস ও দিয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে ও অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। কিন্তু আমরা পুরোপুরি আইন মেনেই কাজ করছি। বরং মুখ্যমন্ত্রী দেখিয়েছেন লক ডাউন কিভাবে ভাঙতে হয়।

এদিন নদীয়ার শান্তিপুরের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একটি পরিযায়ী বাস। লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় আহত হন বেশ কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিক। কলকাতা থেকে মালদা যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের অভিযোগ, বাড়ি যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। টাকা ফেরত পেতে গেলে সেই কলকাতা থেকে যেতে হবে এমনটাই অভিযোগ শ্রমিকদের। এই বিষয়ে দিলীপ বাবু বলেন, কোনো সরকার আছে বলে মনে হচ্ছে না। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, উনি কেন বিনা পয়সায় পাঠাচ্ছেন না শ্রমিকদের। কেন্দ্র সরকার বিনা পয়সায় শ্রমিকদের পাঠাচ্ছেন।  বিজেপি শক্তিকে আটকাতে কোনো শক্তি নেই বলে দাবি করেন দিলীপ বাবু।

Related Articles

Back to top button
Close