fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ছাত্র-ছাত্রী পিছু মিড ডে মিলের খরচ বাড়াল রাজ্য

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : অবশেষে ছাত্রছাত্রী পিছু মিড ডে মিলের খরচের টাকা বাড়ানো হোলো। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের ‘মিড ডে মিল’ সেকসন থেকে এক নোটিফিকেশন ( 236-SE CMDMP/Genl-11/2011 Dated- 29/06/2020) করে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত পয়লা এপ্রিল থেকেই এই পরিবর্তিত হারে মিড ডে মিলের খরচ বাবদ টাকা বিলি করা হবে।

 

 

 

এখন প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রী পিছু দেওয়া হবে ৪.৯৭ টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে ২.৯৮ টাকা এবং রাজ্য সরকার দিচ্ছে ১.৯৯ টাকা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত (STC Including NCLP) ছাত্রছাত্রীদের মাথাপিছু বরাদ্দ হয়েছে ৭.৪৫ টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে ৪.৪৭ টাকা এবং রাজ্য সরকার দিচ্ছে ২.৯৮ টাকা। এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাথাপিছু ১০০ গ্রাম ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ১৫০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হবে।এদিকে লক ডাউন পরিস্থিতিতে জুলাই মাসের জন্য ছাত্রছাত্রীদের জন্য চাল আলু বিলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৬-৯ ই জুলাই এই সামগ্রী বিতরণ করতে হবে স্কুলগুলিকে। এই নিয়ে তৃতীয় বার দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা এসে এগুলো সংগ্রহ করবেন। তবে এবার দু কেজি করে চাল ও আলুর সাথে ২৫০ গ্রাম মুসুর ডাল এবং ৫০ মি.লি. স্যানিটাইজারও দিতে হবে এবার। যা আগের দুবার দেওয়া হয়নি।

 

 

আগামী ৬ জুলাই সকালে প্রথম ও পঞ্চম (উচ্চ প্রাথমিক) শ্রেণি এবং বিকেলে দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণী, ৭ জুলাই সকালে তৃতীয় ও সপ্তম শ্রেণি এবং বিকেলে চতু্র্থ ও অষ্টম শ্রেণি, ৮ জুলাই পঞ্চম শ্রেণি ( প্রাথমিক)-র সকল শিক্ষার্থী, পঞ্চম (উচ্চ প্রাথমিক) ও ষষ্ঠ শ্রেণির অবশিষ্টাংশ, ৯ জুলাই প্রাথমিক বিভাগের সমস্ত শ্রেণির অবশিষ্টাংশ এবং সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির অবশিষ্টাংশ এবং ১০-১৩ জুলাই প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিভাগের সমস্ত শ্রেণির অবশিষ্টাংশদের এইসব বিলি বন্টন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর থেকে কড়া নির্দেশ অনুযায়ী ৩ জুলাইয়ের মধ্যে পঞ্চায়েত, পৌরসভার সহায়তায় বিদ্যালয় সাফাই ও জীবাণুমুক্তকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে। ৪-৫ জুলাইয়ের মধ্যে চাল, ডাল, স্যানিটাইজার ও আলুর প্যাকেজিং সম্পূর্ণ করতে হবে। বিতরণস্থল থেকে প্রবেশদ্বার পর্যন্ত সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং চক্র অনুযায়ী যেন লাইন হয় সেটি নিশ্চিতকরণ করতে হবে স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ভিড় এড়াতে একাধিক প্রবেশ পথ ব্যবহার জরুরি। বিতরণকারী ও গ্রহীতা উভয়ের হাত পরিষ্কার রাখতে হ্যান্ড ওয়াশ ও স্যানিটাইজারের ব্যবহার করতে হবে। বিতরণের কাজে যাঁরা যুক্ত থাকবেন, তাঁদের স্যানিটাইজার, মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার আবশ্যিক। কোন শিক্ষার্থী যেন কোন পরিস্থিতিতেই বিতরণস্থলে বা বাড়ির বাইরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিতরণ করতে হবে শুধুমাত্র অভিভাবকদেরকেই।

 

 

এবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪৭৪৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৩০২৫৬ জন ছাত্রছাত্রী এবং ১১৭০ টি উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৮৯৮ জন ছাত্রছাত্রীদের কাছে এই সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া জেলার একটি ইন্টিগ্রেটেড বিদ্যালয়ের মোট ২৩৬ জন ছাত্র ছাত্রীও এই সামগ্রী পাবেন। ইতিমধ্যে ব্লক এবং পৌরসভাগুলির মাধ্যমে জুলাই মাসের খরচ বাবদ অর্থ বিদ্যালয়গুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close