fbpx
কলকাতাহেডলাইন

সংক্রমণ কমাতে স্থানীয় পুর ও থানা এলাকায় সেফহোম গড়তে চায় রাজ্য

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: রাজ্যের প্রত্যেকটি থানা এবং পুর এলাকায় গড়ে তোলা হবে আলাদা আলাদা সেফহোম। প্রতিটি সেফহোম গড়ে উঠবে ১০০ থেকে ২০০ টি শয্যা নিয়ে। নবান্ন সূত্রে খবর এমনটাই। রাজ্য করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই মৃদু উপসর্গযুক্ত বা উপসর্গহীন। এদের কে আগেই সেফ হোমে রাখার কথা ঘোষণা করেছিল নবান্ন। সেইমতো রাজ্যে ১০০ টির বেশি সেফ হোম রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে এই মৃদু উপসর্গ যুক্ত এবং উপসর্গহীনদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় প্রত্যেকটি থানা এবং পুরো এলাকায় সেফ হোম গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন থানা এবং পুরসভা গুলিকে এই মর্মে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে নবান্নের তরফে।

নতুন করে তৈরি হওয়া সেফ হোম গুলির জন্য যথাযথ অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের উপযোগিতা থাকবে। ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভার তরফের শহরজুড়ে বেশকিছু সেফ হোম তৈরি হয়েছে। রাজ্য সংক্রমনের হার যে পরিমাণে বাড়ছে সেই দিকে নজর দিয়েই সেফ হোম বাড়াতে চাইছে রাজ্য। কিছুদিন আগে এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন রাজ্যে এখন করোনা পরীক্ষা অনেক বেশি হারে হচ্ছে বলেই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যের কলেজগুলিতেও অলচিকি ভাষায় স্নাতক স্তরে শুরু হবে পঠন পাঠন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যাদের অল্প উপসর্গ রয়েছে, সামান্য জ্বর হয়েছে তারা এই ধরনের সেফ হোম সেন্টারে থাকবে। দিনে দুবার এসে এখানে ডাক্তাররা দেখাশোনা করে যাবেন। প্রয়োজনীয় ওষুধ দেবেন। এতে হাসপাতালে বেড বাঁচবে”। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় কারোর সামান্য উপসর্গ থাকলে তাদেরকে হাসপাতলে না রাখলেও চলে। তাদের একটু পর্যবেক্ষণ ও ওষুধ দিলেই দ্রুত সেরে ওঠেন সে সমস্ত ব্যক্তিরা। সে ক্ষেত্রে এই সমস্ত মৃদু উপসর্গ যুক্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে রাখা হলে যাদের বেশি সমস্যা তাদের তখন হাসপাতালে রাখার জন্য অনেক সময় বেড কম পড়ে। তাই
এ ধরনের মৃদু উপসর্গ যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সেফ হোম সেন্টার খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। সেই মতই এবার বিভিন্ন থানা ও পৌর এলাকায় আরও সেফ হোমের সংখ্যা বাড়াতে চাইছে রাজ্য সরকার।

Related Articles

Back to top button
Close