fbpx
আন্তর্জাতিকআমেরিকাহেডলাইন

করোনাকালে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ আমেরিকার, আশঙ্কায় রাষ্ট্রপুঞ্জ

ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্ক, (সংবাদ সংস্থা): মহামারী করোনাভাইরাস রুখতে নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাশ করতে চেয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। কিন্তু, সেই ভোট আটকে দিয়েছে আমেরিকা। সূত্রের খবর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ও চিনের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্পের দেশ।
মার্চ থেকে এই প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে নিরাপত্তা পরিষদ। যেসব দেশ ও অঞ্চলে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলছে, তা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার আহ্বান জানাতে এ প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপনের কথা ছিল। প্রস্তাবটি পাশ হতে ভোটাভুটির প্রয়োজন হতো। কিন্তু তা উত্থাপনের আগেই তা আটকে দিয়েছে আমেরিকা। প্রস্তাবটি পাশ হলে সিরিয়া-ইয়েমেনের মতো দেশের সরকার করোনার চিকিৎসা সেবায় মন দিতে পারত। কিন্তু সংঘাতের কারণে তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদ এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসতে চাইলেও আমেরিকা তাদের থামিয়ে দিয়েছে।
জানা যাচ্ছে, মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের মাঝে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে  সংঘাত, সংঘর্ষ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে।  এমনটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীও এসময় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়ায়  প্রতিদিনই প্রায় সৌদি জোটের হামলা চলছে।  যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে করোনা মোকাবিলা।  এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির মধ্যেই উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো সিরিয়ায় তাদের হামলা জোরদার করেছে। করোনা পরিস্থিতিকে সন্ত্রাসীরা হামলার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন বহু রিপোর্ট পাচ্ছি যেখানে বলা হচ্ছে যে, এক গ্রুপ হামলা চালিয়ে শেষ করছে তো আরেক গ্রুপ হামলা শুরু করছে এবং বহু হামলা হচ্ছে জনবসতিপূর্ণ এলাকায়।’
সম্প্রতি, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের পরিবেশের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। সকলের কাছে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সশস্ত্র সংঘাতকে এখন লকডাউনে পাঠানোর সময় এবং আমাদের জীবন রক্ষায় সত্যিকার লড়াইয়ে মনোনিবেশের সময়।’ বলেছেন ‘বন্দুকের গর্জন থামান, বোমাবর্ষণ ও বিমান হামলা বন্ধ করুন। সংঘাত বন্ধ থাকলে জীবন রক্ষাকারী ত্রাণ পাঠানোর পথ সুগম হবে।’ কিন্তু, গুতেরেসর এই  আহবানে সাড়া দেওয়ার আগেই নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে আমেরিকা।

Related Articles

Back to top button
Close