fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কম্বল চাপা দেওয়া অবস্থায় ঘরে পড়ে স্ত্রী’র মৃতদেহ, গ্রেফতার স্বামী

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল স্বামী। ধৃতের নাম শঙ্কর জানা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থানার দক্ষিণ লক্ষ্মীনারায়নপুরে তার বাড়ি। পুলিশ সূত্রে খবর, শঙ্কর পূর্ব বর্ধমানের মানবডিহি থানার উচালনের একটি রাসমিলে শ্রমিকের কাজ করে। শুক্রবার রাতে মাধবডিহি থানার পুলিশ দিঘিরকোন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও খুনের ঘটনার পুনঃনির্মাণের জন্য তদন্তকারি অফিসার ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতকে পাঁচ দিন পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:বেঙ্গালুরু থেকে আচমকা নিখোঁজ ৩ হাজার ৩৩৮ জন করোনা রোগী! ঘুম উড়েছে প্রশাসনের

পুলিশ জানিয়েছে, শঙ্কর ও তার স্ত্রী লিপিকা সাহা বছর দেড়েক আগে উচালনের রাইসমিলটিতে কাজে যোগ দেন। মিলের শ্রমিকদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরে তারা থাকতেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় মিলেরই অন্য এক কর্মী চাল নিতে লিপিকার ঘরে যান। অনেক ডাকাডাকি করেও ওই কর্মী লিপিকার সাড়া না পেয়ে দরজা ঠেলে ঘরের ভিতরে ঢোকেন। তখনই তিনি ঘরের খাটে কম্বল চাপা দেওয়া অবস্থায় লিপিকাকে পড়ে থাকতে দেখেন। ওই কর্মী মিলের অন্য শ্রমিকদের সেখানে ডেকে আনেন। তাঁরা এসে কম্বল সরিয়ে লিপিকাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ মিলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। এরপরেই পুলিশ লিপিকার স্বামী শঙ্করের খোঁজ চালানো শুরু করে।
মিলের গেটম্যান জানান, বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ কাউকে কিছু না বলে শঙ্কর মিল থেকে চলে গিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে মিলের অংশীদার অভিজিৎ মণ্ডল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রাথমিকতদন্তে পুলিশ জেনেছে, লিপিকা মিলে আর কাজ করতে রাজি ছিলেন না । তা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তাঁর মনোমালিন্য চলছিল।
তবে কি কারণ এই খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close