fbpx
দেশহেডলাইন

টানা দু’ঘন্টার অস্ত্রোপচারে মলদ্বার থেকে বের হল মদের বোতল !

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: পাগলে কি না বলে, ছাগলে কি না খায়… এবার সেই প্রবাদ বাক্যই সত্যি হল তামিলনাড়ুর একটি ঘটনায়। করোনা সংক্রমণে জেরে লকডাউনে মনে হয় সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় পড়েছিল মদ্যপায়ীরা। লকডাউন দীর্ঘ হওয়ায় মদের দোকান বন্ধ থাকার কারণে সমস্যা বাড়তে থাকে সুরাপ্রেমীরা। দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে মদের দোকান খুললেও সামাজিক দূরত্ব মেনে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে তবেই পানীয় মেলে। মদ না পেয়ে দিশেহারা অবস্থায় পৌঁছে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর জন্য এই সময়ে রং করার বার্নিস খেয়ে মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল অনেক সুরাপ্রেমী।

কিন্তু তাই বলে নেশার ঘোরে মদের বোতল মলদ্বার দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনা রীতিমতো চমকে দিয়েছে অনেককেই! এর পর অসুস্থ মদ্যপকে বাঁচাতে হিমশিম খেতে হয়েছে হাসপাতালের চিকিৎসকদেরও।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনাম জেলায়। জানা গিয়েছে, নেশার ঘোরে এই কাণ্ড ঘটানোর পর হুঁশ ফিরতেই পেটের যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে ওই মদ্যপায়ী। এই অবস্থায় নাগাপট্টিনামের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বছর উনত্রিশের ওই যুবককে। স্ক্যান করার পর রিপোর্ট হাতে পেয়ে চক্ষু চড়ক গাছ চিকিৎসকদের। তাঁরা দেখেন যুবকের পাকস্থলীর ভিতরে ঢুকে রয়েছে আস্ত একটা কাচের বোতল! এর পরই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। দীর্ঘ দুই ঘন্টার অস্ত্রোপচারের পর যুবকের পাকস্থলী থেকে বোতলটি বের করতে পারেন তাঁরা।

জ্ঞান ফেরার পর যুবকের থেকে চিকিৎসকরা জানতে চান, কী ভাবে ওই বোতল তাঁর পাকস্থলীতে পৌঁছাল? উত্তরে যুবক যা বলেন, তা শুনে চোখ কপালে ওঠে চিকিৎসকদের। যুবক জানান, নেশার ঘোরে তিনি নিজেই ওই বোতলটি মলদ্বার দিয়ে ঢুকিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁর পর যন্ত্রণায় জ্ঞান হারান!

Related Articles

Back to top button
Close