fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লকডাউনের বাজারে দোকানে বই নেই, সমস্যায় বিজ্ঞানের ছাত্র

ভীষ্মদেব দাশ, খেজুরি: বিজ্ঞানের বই পাওয়া যাবে? যেমন ধরুন গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন বিদ্যার বই। পুরনো হলে চলবে। কত দাম লাগবে। কবে পাওয়া যাবে। ময়না থেকে খেজুরিতে এমনই ফোন এল দশম শ্রেণীর ছাত্র সর্বদীপ ভৌমিকের। পত্রিকা দেখে সর্বদীপ জেনেছিলেন খেজুরি হিন্দু মিলন মন্দির পাঠাগার থেকে পড়ার বই দেওয়া হচ্ছে। হাজারো প্রশ্ন ছিল ময়নার সর্বদীপ ভৌমিক এর। ময়নার উত্তর চংরাচক গ্রামের বাসিন্দা সর্বদীপ। দাদু পরমানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য শশাঙ্ক ভৌমিক। সর্বদীপ নেফ্রাইটিস রোগে আক্রান্ত। সে নিজে বই খুঁজে বেড়াচ্ছে বিজ্ঞান পড়ার জন্য। লকডাউনের বাজারে দোকানে বই নেই। এলাকা থেকে পাওয়া যায়নি। পছন্দের শিক্ষক দুরে বাড়ি হওয়ার দরুন বই দিতে পারছেন না। ফোনালাপের শিক্ষক অরিন্দম মাইতি ও তথ্যকর্মী সমীক পন্ডা হাজির হন সর্বদীপের বাড়ি।

আরও পড়ুন: লকডাউনে পড়ুয়াদের খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিলি

শশাঙ্ক ভৌমিকের কথায় জমি বিক্রি করে রাজনীতি করতে করতে পরিবারের দিকে নজর দিই নি। যারফলে আজকে আমাকে বই খুঁজে বেড়াতে হচ্ছে। তবে তিনি ভীষন খুশি হয়ে বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর এলাকার বাসিন্দা আপনারা। আপনাদের মানবিক পরিচয়ে ভীষণ খুশি হলাম। সর্বদীপকে বই দিয়ে সাহায্য করেছেন খেজুরির শিক্ষক অরিন্দম মাইতি, শিক্ষক জয়দেব মাইতি, শিক্ষক রঞ্জন পট্টনায়ক, ছাত্র অরিন্দম হালুই প্রমুখ। লাইব্রেরির স্বেচ্ছাকর্মী ও নন্দীগ্রাম এক ব্লকের তথ্যকর্মী ভীষন খুশি ভাবী স্টার প্রাপকের পাশে দাঁড়াতে পেরে। আমরা সর্বদীপ এর পাশে আছি এই অঙ্গীকার রাখছি। শিক্ষক অরিন্দম মাইতি বলেন, বই এর অভাবে পড়তে পারবে না একজন মেধাবী ছাত্র এটা হতে পাটে না। ফোনের মাধ্যমে বইয়ের প্রয়োজন শুনে ময়না গিয়ে বই দিয়ে এলাম। পাশে দাঁড়াতে পেরে খুব খুশি।

Related Articles

Back to top button
Close