fbpx
পশ্চিমবঙ্গশিল্প-বাণিজ্যহেডলাইন

দোকানে ক্রেতা নেই, হতাশ ব্যবসায়ীরা

পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: করোনা সংক্রমণ আটকাতে রাজ্যে জারি হওয়া লকডাউনের পর আনলক-1-য়ে দোকান খোলা হলেও ক্রেতা না থাকায় হতাশ ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে এইভাবে চলতে থাকলে আগামীদিনে চরম আর্থিক অনটনের মুখে পড়তে হবে তাদের।
সারা দেশের পাশাপাশি রাজ্যেও করোনা সংক্রমণের হার ক্রমশ বাড়ছে।

প্রতিদিন সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে রেকর্ড হচ্ছে। যদিও করোনা সংক্রমণের এই পরিস্থতির মাঝেই সাধারণ মানুষের আর্থিক হাল ফেরাতে আনলক-1-য়ে অফিস খোলার পাশাপাশি করোনা সর্তকতা অবলম্বন করে ছোট, বড় দোকান ও শপিং মল খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি উলুবেড়িয়া শহরেও দীর্ঘ লকডাউনের পর ঈদের আগে ছোট বড় দোকান খুলেছে।

বিশেষ করে জামাকাপড় থেকে জুতো, প্রসাধনী থেকে খাবার দোকান খোলায় ব্যবসায়ীরা সাময়িক স্বস্তি পেলেও দিনের পর দিন দোকানে সেভাবে ক্রেতাদের ভীড় না থাকায় ক্রমশ হতাশা দেখা দিয়েছে ব্যবসাযীদের মনে। অবশ্য শুধু ব্যবসায়ীরাই নয় দোকানে সেভাবে বিক্রি না হওয়ায় কর্মচারীদের মাহিনাতেও কোপ পরায় আতঙ্কে কর্মচারীরা। ব্যবসার অবস্থা সর্ম্পকে উলুবেড়িয়া শহরের অধিকাংশ জামাকাপড় থেকে জুতো ব্যবসায়ীদের মতে ঈদের আগে কয়েকদিন সামান্য বিক্রি বাড়লেও তারপর থেকেই সেভাবে ক্রেতারা দোকানে না আসায় সারাদিন বসেই থাকতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের মতে প্রথমত করোনা সংক্রমণের ভয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হাতে টাকা না থাকায় ক্রেতারা দোকানের দিকে আসছে না। অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের মতে সামনে দূর্গাপুজো সবাই সেইদিকে তাকিয়ে বসে আছি। তবে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাতে পুজোতে বিক্রি হবে কিনা সেই নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে দোকানে ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম হওয়ায় কর্মাচারীদের মাহিনাতেও কোপ পড়েছে। তাদের মতে অধিকাংশ দোকানের মালিক সপ্তাহে তিনদিন ডিউটি করে দিয়েছে। তাদের মতে যে হারে দোকানে বিক্রি হচ্ছে তাতে এছাড়া আর কিছুই করার নেই।

Related Articles

Back to top button
Close