fbpx
কলকাতাহেডলাইন

গণতন্ত্রকে গুঁড়িয়ে মানুষের কণ্ঠস্বর চাপা দেওয়ার মারাত্মক প্রবণতা চলছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে ট্যুইট মুখ্যমন্ত্রীর

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: যে কোনও বিশেষ দিবসে টুইট করে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। আর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই সেই দিনগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ের তুলনা করছেন তিনি। এর আগে সিঙ্গুর দিবস মনে করিয়ে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। আর এবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে  পরপর দুটো টুইট করে তিনি বললেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে মানুষের গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ও কণ্ঠস্বর দমিয়ে রাখার ভয়ঙ্কর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালে আজকের দিনেই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে মানবাধিকার সংক্রান্ত সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়েছিল। তারপর থেকে প্রত্যেক বছর  এই দিনটিকে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সেই উপলক্ষ্যে ট্যুইট করে নাম না করলেও কেন্দ্রের বিজেপি শাসিত সরকারকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ”আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। আজকাল গণতন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দেওয়া, মৌলিক অধিকারগুলিকে খর্ব করা ও মানুষের কণ্ঠস্বরকে চাপা দেওয়ার এক মারাত্মক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আমাদের সরকার মানবাধিকার রক্ষায় দায়বদ্ধ।”  আরও একটি টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “গত সাড়ে ৯ বছরে ১৯টি মানবাধিকার আদালত গঠন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আমার লাগাতার প্রতিবাদ, আন্দোলনের জেরে ১৯৯৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়েছিল। সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানাই।’
সাম্প্রতিককালে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তোপ দেগে অভিযোগ করেছেন, তারা দেশের ফেডেরাল কাঠামো লঙ্ঘন করছে, বিরোধী দল পরিচালিত রাজ্য সরকার ও নেতাদের আতঙ্কে রাখতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে লেলিয়ে দিচ্ছে, মিডিয়ার কণ্ঠরোধ করছে, যে কোনও সরকার বিরোধী প্রতিবাদকে বলপ্রয়োগ করে দমিয়ে রাখছে। যদিও পাল্টা বিজেপির দাবি,  মমতা সরকারের আমলে রাজ্যে তাদের শতাধিক কর্মী খুন হয়েছেন, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে প্রায় ১৫০০ দলীয় কর্মী-সমর্থককে জেলে পুরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোকে উল্লেখ করে মমতার টুইট যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Related Articles

Back to top button
Close