fbpx
দেশহেডলাইন

স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠানে কোনও বড় জমায়েত নয়, নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  করোনার আবহে স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠানে কোনও বড় জমায়েত করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রতিবছর দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের দিন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান এবারে কিছুটা ছোট করে দেওয়া হয়েছে।সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পঞ্চায়েত স্তরে কিভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে তার গাইডলাইন দিল কেন্দ্র। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহারের উপরেও জোর দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্যারেড সহ চা-চক্রের অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র করোনা জয়ীরা যাতে আমন্ত্রিত হন, তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যারা সামনে থেকে লড়াই করছেন সেই করোনা যোদ্ধাদেরও বিশেষ সম্মান জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনার কামড়ে গত চার মাস ধরেই কাঁপছে গোটা দেশ। এই পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলন ও জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার যে রীতি ছিল, তাতে ছেদ পড়বে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশিকায় সেই জল্পনার অবসান ঘটেছে। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রথামতো লালকেল্লায় সশরীরে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এবারের অনুষ্ঠানে অনেকটা কাটছাঁট করা হয়েছে। স্কুল পড়ুয়াদের এবার আর অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। সামরিক বাহিনী ও পুলিশের পক্ষ থেকে যে প্যারেড প্রদর্শন হবে ও তোপধ্বনি করা হবে, সে ক্ষেত্রে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাস্ক সহ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম পরার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রায়ে স্বস্তিতে টিম পাইলট, মরুরাজ্যে ব্যাকফুটে গেহলট শিবির

তবে বর্তমানের করোনা সংক্রমনের কথা মাথায় রেখে সব জায়গায় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। স‍্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এছাড়াও কোথাও যেন জনসমাগম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে প্রশাসনকে। সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সকাল নটার পরে পতাকা উত্তোলন করা হবে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসনকে পাঠানো নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান সীমিত আকারেই উদযাপন করতে হবে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতরা যাতে করোনা জয়ী হন, সে দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। শুধুমাত্র পুলিশ-আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্যারেড, বেলুন উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীতের আয়োজনের মাধ্যমেই অনুষ্ঠান সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। যারা সশরীরে হাজির হয়ে অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন না, তাদের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করার দিকে জোর দিতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close