fbpx
হেডলাইন

উন্নয়ণের ক্ষেত্রে কোনও আপস নয়, সকলকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই : মুনমুন বিশ্বাস

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর : মুনমুন বিশ্বাস, হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। নিজেকে সঁপে দিয়েছেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ণে। মানুষের সঙ্গে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ব্লকের সর্বোত উন্নয়ণই একমাত্র লক্ষ্য মুনমুন দেবীর। যুগশঙ্খ-এর সঙ্গে একান্ত খোলামেলা সাক্ষাৎকার উঠে এলো অনেক প্রসঙ্গ। অভিজাত পরিবারে জন্ম হলেও ভীষন মিশুকে খোলামেলা পরিবেশে বেড়ে ওঠা। মাধ্যমিক পাশের পর পড়াশোনাকে এগিয়ে নেওয়ার আগেই বিবাহ সুত্রে আবদ্ধ রাজনৈতিক পরিবারে।স্বামী সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, বিগত দিনে এলাকার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থাপনায় জনপ্রতিনিধিত্ব ও করেছেন।

রাজনৈতিক পরিবারে বিয়ে, ফলে স্বামীর প্রেরণাতেই সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, অত্যন্ত খোলামেলা মানসিকতা,সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলতে অভ্যস্ত জননেত্রী মুনমুন বিশ্বাস। একদা নদিয়ার রূপকার তৎকালীন কেন্দ্রীয় কৃষি রাষ্ট্র মন্ত্রী আনন্দ মোহন বিশ্বাস সঙ্গে জ্যেঠু মদন গোপাল বিশ্বাসের পারিবারিক সখ্যতা সর্বজন বিদিত। কালের আবহে পরবর্তীতে স্বামী দেবাশীষ বিশ্বাসের হাত ধরে আনন্দ মোহন বিশ্বাস পরবর্তী অত্যন্ত সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের স্নেহধন্যা মুনমুন বিশ্বাস ক্রমশঃ রাজনীতিতে পরিনত হয়ে উঠেছেন। হাঁসখালি ব্লকের ১৩ টি গ্ৰাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতির ১ নং নাগরিক এখন মুনমুন বিশ্বাস। তার চালচলন, আচার ব্যবহার সহ প্রশাসনিক বিচক্ষনীয়তা,দলমত নির্বিশেষে সকলকে মুগ্ধ করে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে অভ্যস্ত হাঁসখালি ব্লকের প্রশাসনিক দফতরের সর্বময়ী কর্তীর একটাই ভাবনা চিন্তা, হাঁসখালি ব্লকের সর্বস্তরের জনগণকে কিভাবে ভালো রাখা যায়, ভবিষ্যতকে সাফল্যের লক্ষে এগিয়ে নেওয়ার ব্রত নিয়ে নিরলস কর্মাভিযানে অন্যায়ের সঙ্গে আপসে রাজি নন তিনি। মা, মাটি, মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত মুনমুন দেবী মনে করেন, তিনি সহ তার স্বামী দেবাশীষ বিশ্বাস, বৃদ্ধ শ্বশুর, শাশুড়ি সহ ব্লকের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দকে নিয়েই তার বৃহত্তর পরিবার।

সকলকে ভালো রাখা সহ ভবিষ্যতের লক্ষে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলাই পবিত্র কর্তব্য। প্রতিটি সরকারি প্রকল্প আর্থিক বছরের বাজেট অনুযায়ী পঞ্চায়েত গুলির মাধ্যমে সঠিক ভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নজর দারিতে নিজেকে যেমন কড়া সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয়, পাশাপাশি কোন অনিয়ম দেখলেও তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্ৰহনে পিছপা হন না।জয় জহর,জয় বাংলা,সজল ধারা,সবুজ শ্রী, কন্যাশ্রী,রূপশ্রী,খাদ্যসাথী, বাংলা আবাস যোজনা, বাংলা গ্ৰাম সড়ক যোজনা সহ একাধিক কর্মসূচি রূপায়নে অনন্য নজির স্থাপন করে আজ জেলায় রেকর্ড সৃষ্টি করেছে হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতি। ১৩ টি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মধ্যে সার্বিক পরিষেবা প্রদান সহ সব ধরনের প্রকল্প রূপায়ণে কোন্ পঞ্চায়েত কে এগিয়ে রাখবেন প্রশ্ন করাতেই মুনমুন দেবীর সহাস্য উত্তর ১৩ টি পঞ্চায়েত ই আমার সন্তান সম। আমি সকলের অভিভাবিকা।

 

আমার কাছে সব সন্তানই সমান এবং অধিকার ও একদম সমান। তবে পরিবারের ছেলে-মেয়েদের মধ্যেও তো কেউ না কেউ একটু এগিয়ে পিছিয়ে থাকে, এখানেও তার অন্যথা হওয়ার জায়গা নেই।তবে প্রশ্ন যখন করেছেন,উত্তর তো দিতেই হবে।আমার ১৩ টি পঞ্চায়েত ই খুব ভালো কাজ হচ্ছে।প্রধান, উপপ্রধান সহ সকল মেম্বারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে।তবে ভালোর মধ্যে ও খুব ভালো বলতে গেলে বাদকুল্লা ১ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েত কে এগিয়ে রাখতেই হবে। ওখানকার প্রধান সুবীর বিশ্বাস। দ্বিতীয় স্থানে অনেকেই তাহলেও রামনগর ২ খুব ভালো কাজ করছে।

ওখানকার প্রধান জুলফিকার আলী ধাবক, এছাড়া বগুলা ২,ময়ুরহাট-১ ও যথেষ্ট ভালো জায়গায় আছে।সব পঞ্চায়েতের প্রধান ই কিন্তু এলাকার নাগরিকদের সুরক্ষা য় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল,বিডিও কিংবা থানার ওসির সঙ্গে কাজের বিন্যাসে বোঝাপড়া কতটা স্বাভাবিক? দুটি ক্ষেত্রেই ভীষণ ভালো।বিডিও অত্যন্ত কাজের মানুষ। আন্তরিকতার সঙ্গে সবকিছু করার চেষ্টা করেন।কাজের ক্ষেত্রে আমাদের খুবই ভালো বোঝাপড়া আছে। তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বামী সংসার সামলান কিভাবে?উত্তরে মুনমুন দেবী জানালেন,আমার স্বামী খুব বড়ো মনের মানুষ,তার ই উৎসাহ এবং প্রেরণা য় আমার এগিয়ে চলা।

 

স্বামীর দেখভাল,বৃদ্ধ শ্বশুর শাশুড়ির আদর যত্ন সব কিছুতেই নজর রাখতে হয়।হবি সম্পর্কে প্রশ্ন করাতেই তিনি জানালেন, বর্তমান কাজের চাপে হবি এখন পরিবর্তিত রূপ নিয়েছে, এখন জনসংযোগই বলা যেতে পারে।শেষ প্রশ্ন ছিল,প্রিয় খাবার নিজের ও স্বামীর,প্রিয় রং,উত্তর প্রত্যাশিতই ছিল,ডাল-ভাত তবে স্বামীর পাতে মাছ চাই-ই।প্রিয় রং অবশ্যই সবুজ। রাজনীতিতে হাতেখড়ি স্বামী দেবাশীষ বিশ্বাসের হাত ধরে। রাজনৈতিক গুরু সত্যজিৎ বিশ্বাস, রাজনৈতিক প্রেরণা-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Related Articles

Back to top button
Close