fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বাসি মেয়র আর মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ পিকচারে নেই: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: করোনা এবং আমফান বিপর্যয়ের পর শাসক বিরোধী দলের রাজনৈতিক তরজা ক্রমশই বাড়ছে। শুক্রবার মেয়র ও মুখ্যমন্ত্রী জোড়া আক্রমণ শানিয়ে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। সল্টলেকের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠকে পাল্টা আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষও। কটাক্ষের সুরে তিনি বললেন, ‘ বাসি মেয়র আর মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ পিকচারে নেই। বাকি মন্ত্রীরা কোথায় গেলেন, করোনারি ভয়ে বাড়ি ঢুকে পড়েছেন নাকি?’
তৃণমূলের বর্ষীয়ান মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এদিন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর দুর্গত এলাকাগুলিতে যাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন। এই প্রসঙ্গেই দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ সাধারণ মানুষও এই প্রশ্ন করছে। দুর্গত এলাকায় ত্রাণ নিয়ে বিজেপি সহ বিরোধী দলের কর্মীরা পৌঁছে গেল, আর মন্ত্রীদের দেখা নেই। ওঁরা তো হেলিকপ্টারেও যেতে পারতেন। বাসি মেয়র আর মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় ঘুরে বেড়িয়ে ছবি তুলেছেন। গ্রামের দিকে পাও বাড়াননি। বাকি নেতা মন্ত্রীরা দু একদিন শহরের রাস্তায় বেরিয়ে করোনার ভয়ে বাড়ি ঢুকে পড়েছেন।’

এদিন ফিরহাদ হাকিম বিজেপির বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো, ফেসবুক বিপ্লবের অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ আম্ফানের পর কলকাতা, সল্টলেকের রাস্তায় কেউ মেয়রকে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ কুড়ুল হাতে গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করেছে। আর উনিতো শুধু বানী দিয়েছেন সাতদিনের আগে বিদ্যুৎ আসবে না। আর বিজেপি বিপর্যয় নিয়ে কুৎসা করেনা আম্ফানের একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী এসে গেলেন। রাজ্যকে ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে গেলেন। উনি মিথ্যা কথা বললে রাজ্যের মানুষ বিশ্বাস করবেন না।’

আরও পড়ুন: এতদিন পর কেন এল কেন্দ্রীয় দল, কটাক্ষ রাজ্যের দুই মন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী এদিন দিলীপ ঘোষের নাম না করে কটাক্ষ করেছেন, তিনতলা থেকে নেমে এসে বানী দেন। এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘ কারও চোখের দোষ হলে সেটা আমার দোষ নয়। দিলীপ ঘোষ রাস্তায় নামলে পুলিশ দিয়ে আটকানো হয়, কেন? আমি নামলে বুক ফেটে যায় কেন ভয়ে? আমাদের সাংসদরা নামলে আটকানো হয়, কোয়ারেন্টাইন নোটিশ লাগানো হয়। আবার বলছেন বিজেপি রাস্তায় নেই কেন?’ তিনি আরও বলেন, ‘ আজ পরিবেশ দিবসে আমি এতো গাছ লাগালাম, মানুষকে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করলাম। আর মেয়র, মুখ্যমন্ত্রী  কি করলেন, শুধু বানী দিলেন। ওদের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে মানুষ তাড়া করে বাড়ি ঢুকিয়ে দিল। আর দিলীপ ঘোষ রাস্তায় নামলে মানুষ স্বাগত জানানোর জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে।’ এদিন বনসৃজন নিয়েও রাজ্যের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ করেন।

Related Articles

Back to top button
Close