fbpx
দেশহেডলাইন

‘‌শূন্য শিক্ষাবর্ষ’‌ ঘোষণার কোনও সম্ভাবনাই নেই, স্পষ্ট জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০-২১ ক্লাসও হবে। পরীক্ষাও হবে। ‘‌শূন্য শিক্ষাবর্ষ’‌ ঘোষণার কোনও সম্ভাবনাই নেই। স্পষ্ট জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। করোনার জেরে লকডাউন শুরু হয় মার্চের শেষে। তারও আগে থেকে দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। ফলে জল্পনা শুরু হয়, চলতি শিক্ষাবর্ষ বাতিলই করে দেবে কেন্দ্র। এই নিয়ে সোমবার মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি একটি বৈঠকে বসে। সেখানেই সাংসদরা কলেজে ভর্তি, ক্লাস, পরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন।

কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ষষ্ঠ-দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ বিষয়ে লোকাল সার্কেলস নামে একটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার পুনরায় স্কুল খোলার ব্যাপারে যে প্রস্তাব প্রকাশ করেছে, তাতে সায় জানিয়েছেন ৩৩ শতাংশ অভিভাবক। তবে ৫৮ শতাংশ অভিভাবক এক কথায় ‘না’ জানিয়ে দিয়েছেন। জবাবে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী অমিত খারে জানালেন, কলেজের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ারা নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ ক্লাসে যোগ দেবেন। পরীক্ষা এবং ক্লাস করানোরও ব্যবস্থা থাকবে। ‘‌শূন্য শিক্ষাবর্ষ’‌-এর অর্থ, যে বছর কোনও পড়াশোনা, ক্লাস, পরীক্ষা হয় না।

সরকারি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে দশম-দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হবে। এর পর ১৫ দিন বাদে পর্যায়ক্রমিক ভাবে ষষ্ঠ থেকে পরের ক্লাসগুলি চালু হবে। সংস্থাটি দাবি করেছে, দেশের ২৫২টি জেলায় এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২৫ হাজার। প্রস্তাবে অসম্মতি জানানো অধিকাংশ অভিভাবকেরই আশঙ্কা, স্কুলে গিয়ে সন্তান করোনায় সংক্রামিত হতে পারে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১৩ শতাংশের মতে, তারা কোনো ভাবেই সন্তানকে বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না।

আরও পড়ুন: ‘দু’দশকে কংগ্রেস আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে’, ঘরে ফিরে গলায় আনুগত্যের সুর পাইলটের

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৯ শতাংশের মতে, স্কুলে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কোনো মতেই সম্ভব নয়। ৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, স্কুল খুলে দিলে সংক্রমণ আরও দ্রুতগতিতে বাড়তে পারে। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশের মতে, সন্তানকে স্কুলে পাঠালে বাড়ির প্রবীণ ব্যক্তির সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এই সমীক্ষায় আরও একটি চমকপ্রদ বিষয়, মাত্র ২ শতাংশ মনে করে, এই পরিস্থিতিতে অনলাইনে পঠনপাঠন যথোপযুক্ত।

সোমবারের বৈঠকের নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি-র রাজ্যসভার সাংসদ বিনয় সহস্রবুদ্ধে। খারে ছাড়াও ছিলেন স্কুল শিক্ষা সচিব অনিতা কারওয়াল এবং ইউজিসি চেয়ারম্যান ডি পি সিং। সূত্রের খবর, বৈঠকে সিবিএসই স্কুলগুলোর করা একটি সমীক্ষা পেশ করা হয়। তাতে দেখা গেছে, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের মধ্যে ৬০ শতাংশ অনলাইন ক্লাসে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশ মাঝেমধ্যে সে সুযোগ পাচ্ছে। ১০ শতাংশ অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত।

Related Articles

Back to top button
Close