fbpx
কলকাতাহেডলাইন

সুব্রতবাবুর মতো যোগ্য লোককে মেয়র করলে এই বিড়ম্বনা হতো না: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস,কলকাতা: গড়িয়া মহাশ্মশানের ভাইরাল হওয়া ভিডিও, আম্ফান পরবর্তী সময়ে টানা জল, বিদ্যুৎ হীন শহর। আর এসবের কেন্দ্রে কলকাতার মেয়র ববি হাকিম। বিভিন্ন মহলে তুমুল সমালোচিত হলেও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন,’ ববি ভাল কাজ করেছে।’ শনিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মেয়রকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘ তাবেদারির পুরস্কার পেয়ে মেয়র হয়েছেন ববি হাকিম।’ একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেছেন ‘ সুব্রতবাবুর মতো যোগ্য, অভিজ্ঞ মানুষকে মেয়র করলে এই দুরবস্থা হতো না।’

বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যের অন্য সমীকরণ দেখছে রাজ্যের তথ্যাভিঞ্জ মহল। তাঁরা মনে করছেন এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তৃণমূলের মধ্যে যে অন্তর্দ্বন্দ্বের একটা চোরাস্রোত চলছে তাতে আলোড়ন তুলে অভিঞ্জ রাজনীতিকের কাজ করেছেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ। কেন এমনটা মনে করছেন তাঁরা? খুব সম্প্রতি দলের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরার বিরুদ্ধে নাম না করে মুখ খুলেছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সরাসরি বলেছিলেন আম্ফান পরবর্তী সময়ে মন্ত্রীর সুন্দরবনে যাওয়া উচিত ছিল। এমনকি মেয়রকে ঠুকে বলেছিলেন, -বিদেশে দেখেছি গাছের ডাল কাটার জন্য ইলেকট্রিক করাত ব্যবহার করা হয়। আমার বাড়ির সামনে রাস্তায় পড়ে থাকা গাছের ডাল দেখলাম এখনও দা দিয়ে কাটছে।’ শুধু সুব্রত মূখোপাধ্যায় একা নয়, সাধন পাণ্ডে, এমনকি সাংসদ মহুয়া মৈত্রও পঞ্চায়েতের দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলেছেন। দলের মধ্যে এই ধূমায়িত ক্ষোভকেই উস্কে দিলেন দিলীপ। এমনটাই মনে করছেন রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন: তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর ধানের জমি থেকে উদ্ধার যুবকের পচাগলা মৃতদেহ

ঠিক কি বলেছেন দিলীপ ঘোষ? তিনি বলেন, ‘বাসি মেয়রের কোন দায়িত্ব নেই। কোভিড লাশ নিয়ে অপকীর্তি ঢাকার জন্যই পিছনের দরজা দিয়ে ওঁকে পুরসভায় ঢোকানো হয়েছিল। আজ রাজ্যপাল ওঁকে ডেকেছিলেন, সামনে যাওয়ার হিম্মৎ নেই, বলেছেন গাছ পুঁতছেন বলে যেতে পারেন নি।’ এরপরই আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে বলেন, ‘ এতো অযোগ্য, অপদার্থ মেয়র কখনও কলকাতা পুরসভার ইতিহাসে আসেনি। একটা ঐতিহ্যমণ্ডিত জায়গা, যেখানে সুভাষ চন্দ্র বসুর মতো ব্যক্তিত্ব মেয়র হয়েছেন। সুব্রতবাবুও রয়েছেন দক্ষ মেয়র ছিলেন। ওঁকে মেয়র করতে পারতেন তাতে এতো বিতর্ক হতো না।’
রাজ্যপালের সঙ্গে টুইট যুদ্ধে নিয়ে তাঁর কটাক্ষ, ‘ রাজ্যপালকে টুইট করে অসম্মান করার মধ্যে কোন বীরত্ব নেই। করোনা ঠেকাতে পারে না, আমফান ঠেকাতে পারে না শুধু ঘরে বসে রাজ্যপালকে টুইটে গালাগাল দিতে পারে। ওদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে রাজ্যপালকে অসম্মান সূচক কথা বলেন আর দলের বিধায়ক, সাংসদ, নেতাদের উস্কানি দেন। বাংলার মানুষ আপনাদের নয়, রাজ্যপালকে বিশ্বাস করেন।

Related Articles

Back to top button
Close