fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

কড়া নিয়মের আবহে এবার দুর্গাপুজো, মেনে চলতে হবে নির্দিষ্ট গাইড লাইন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আসছে বহু প্রতীক্ষিত বাঙালির আবেগের পুজো দুর্গা উৎসব। মা আসছে এই অপেক্ষার অন্য বারের মতো উচ্ছ্বাস নেই। কারণ সমাজের সব আনন্দটুকুই কেড়ে নিয়েছে করোনা ভাইরাস। যার জেরে মানুষ আজ হতাশা ও হীনমণ্যতার জালে বন্দি। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, পুজো হবে। তবে অবশ্যই করোনা বিধিনিষেধ মেনে।
এই অবস্থায় অনেক পুজো কমিটিই বাজেট কাটছাঁট করে পুজোর কথা ভাবছে। কোনও কমিটি আবার থিমের লড়াই ছেড়ে, একেবারেই ছোট করে পুজো সারবেন, এমনই পরিকল্পনা।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, কীভাবে পুজো হবে তা ঠিক করতে দুর্গাপুজোর সংগঠকদের সংগঠন ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’-এর কার্যকারি কমিটি বৈঠকে বসে। সেখানে বেশ কিছু গাইডলাইন তৈরি হয়েছে। আপাতত সেই নিয়ম পুজো হবে বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু।

গাইডলাইনগুলি

• প্রশাসনকে কুমোরটুলিকে সঠিক ভাবে স্যানিটাইজ করার জন্য অনুরোধ করতে হবে। ঠাকুর আনার সময় একসঙ্গে অনেকে কুমারটুলিতে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’।
• প্যান্ডেল ও প্রতিমার উচ্চতা খুব বেশি না হয়। চেষ্টা করতে হবে যাতে রাজ্য সরকার বা পুরসভাকে অনুরোধ করে প্রতিদিন যাতে অন্তত একবার পুরো প্যান্ডেল ও প্রতিমা স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করা যায়।
• বাজেট কমিয়ে অনাড়ম্বর, সুন্দর পুজো করতে হবে। বাকি অর্থ জনহিতকর কাজে ব্যবহার করতে পারে পুজো কমিটিগুলি।
• ঠাকুরের ভোগ নিবেদনে গোটা ফল দিতে হবে। পুষ্পাঞ্জলি, সন্ধি পুজো, সিঁদুর খেলার সময় সামাজিক দূরত্ব মানা বাধ্যতামূলক।

• শিল্পী ও কর্মকর্তারা যেন এমন মণ্ডপ তৈরি করেন, যাতে দর্শক বাইরে থেকেই ভালোভাবে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন মণ্ডপে না প্রবেশ করেই।

• প্যান্ডেলের প্রবেশ পথ ব্যারিকেড দিয়ে যতটা সম্ভব দীর্ঘ করতে হবে, যাতে দর্শনার্থীরা অনেকটা পথ অতিক্রম মণ্ডপে পৌঁছন।

• মূল প্রবেশ পথে ও প্যান্ডেলের ভিতর দায়িত্বরত প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

• স্বেচ্ছাসেবকদের খেয়াল রাখতে হবে যাতে দর্শকদের মুখ অবশ্যই মাস্কে ঢাকা থাকে। প্রবেশ এবং প্রস্থানের পথে তাঁদের হাতে যদি স্যানিটাইজার দেওয়া যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। মূল প্রবেশ পথে একাধিক থার্মাল গান রাখতে হবে।

• জ্বর নিয়ে কোনও ব্যক্তিকে প্যান্ডেলে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি, যাদের পক্ষে সম্ভব তারা পুজোর দিনগুলিতে স্যানিটাইজার স্প্রে করতে পারেন দর্শকদের লাইনের ওপর।
• একবারে সর্বাধিক ২৫ জনকে প্যান্ডেলে প্রবেশ করানো যাবে। এর বেশি নয়।
• ফোরামের পক্ষ থেকেও পুজোর আগে থেকে প্রচার করা হবে যাতে দর্শকরা সারাদিন ধরে ঠাকুর দেখেন। শুধু রাতের কয়েকঘণ্টা ঠাকুর দেখার জন্যে বেছে না নেন।

• যে সব মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় স্টল হয়, সেখানে দুটি স্টলের মধ্যে অন্তত ৩-৪ ফুটের ব্যবধান রাখতে হবে। স্টলের মালিকদের রেডিমেড খাবার বিক্রিতে জোর দিতে। বসিয়ে লোক খাওয়ানো যাবে না।

• প্রতিযোগিতার বিচারের সময় বিশেষ করে ফাইনাল রাউন্ডে ১৫ জনের বেশি বিচারক বা এজেন্সির টিমকে প্যান্ডেলের মধ্যে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। থার্মাল স্ক্রিনিং- জারি থাকবে।

• প্যান্ডেল থেকে লাইট লাগানোর কর্মীদের স্বাস্থ্য সঠিক রাখার দায়িত্ব পুজো কমিটিকে নিতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close