fbpx
কলকাতাহেডলাইন

রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য এবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি জানাবে কংগ্রেস

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অসুবিধার কথা সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরবে প্রদেশ কংগ্রেস। শনিবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করে এমনটাই জানানো হয়।
২১শে জুন, রবিবার সকাল ১১টে থেকে বেলা ২টো পর্যন্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র সহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেত্রিত্ব, সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলার, পঞ্চায়েত নেতৃত্ব, জেলা কংগ্রেস এবং ব্লক কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ  ফেসবুক, টুইটার,ইনস্টাগ্রামে লাইভ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে নির্দিষ্ট দাবি পেশ করবেন। এর আগে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর উদ্যোগে গত ২৮ শে মে সারা দেশে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছিল কংগ্রেসের সামাজিক মাধ্যমের প্রচার ‘স্পিক আপ ইন্ডিয়া’।
এবার তাই প্রদেশ কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগ নিয়ে এল ‘স্পিক আপ বেঙ্গল’ শীর্ষক প্রচারের কর্মসূচি। ইতিমধ্যেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র এই উদ্যোগকে সফল করতে তাঁর প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠিয়েছেন। রাজ্য কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রধান মিতা চক্রবর্তী এই কর্মসূচির সাফল্যের লক্ষ্যে সব জেলার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রবিবার মূলত চারটি ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হবে সোশ্যাল মিডিয়ায়। করোনা আবহে মানুষের জীবনে খাদ্যের সমস্যা এই মুহূর্তে বড় সমস্যা। আর এই সমস্যা নিরসনে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ ভাবে সফল হতে পারে নি। তাই ডিজিটাল কার্ড না থাকলেও সবার জন্য রেশন ব্যবস্থার জন্য এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় দরবার করা হবে রাজ্য সরকারের কাছে।
অন্যদিকে করোনা লকডাউন এর মধ্যেই বেসরকারি স্কুল গুলি ইচ্ছেমতো ফি বৃদ্ধি করেছে। সমস্যায় পড়েছে বহু বেসরকারি স্কুলের অভিভাবকরা। কোরোনা ও লকডাউনের ফলে অনেকেই নিজেদের রুজি-রোজগার নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন। তাই এমতাবস্থায় বেসরকারি স্কুলে এক টাকাও ফি বৃদ্ধি করা যাবে না।
এই মুহূর্তে সব থেকে বড় সমস্যায় আশঙ্কায় রয়েছে সাধারণ মানুষ কোভিডের চিকিৎসা নিয়ে। হাসপাতালগুলি কোভিড চিকিৎসার বদলে লাগামহীন খরচ চাপিয়ে দিচ্ছে রোগীর পরিবারের ওপর। আর তাতেই মাথায় হাত উঠেছে আমজনতার।তাই বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড -১৯ চিকিৎসার নামে লুঠ বন্ধ করার এবং রাজ্য সরকারকে বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসার খরচ বেঁধে দেওয়ার দাবি জানান হবে।
এদিকে করোনা ও লকডাউনের জন্য আমজনতার অর্থকোষে টান পড়েছে। এ সময়ে অনেকের পক্ষেই বিদ্যুতের মসুল দেওয়া সম্ভব হচ্চে না। তাই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ এলাকায় গত তিন মাসের বিলের ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার দাবি জানান হবে রাজ্যের কাছে।

Related Articles

Back to top button
Close