fbpx
অসমগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে গুরু দায়িত্ব দিল তৃণমূল, কি সেই দায়িত্ব?

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন একসময়ের ঘাসফুলের একনিষ্ঠ কর্মী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি হাতে ধরেই দলত্যাগের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। ফের সেই নাটকীয়ভাবেই গেরুয়া থেকে তৃণমূল শিবিরে ফেরা। এর পর বেশ কিছুদিন লোকচক্ষুর আড়ালেই তিনি। এবার তাঁকে গুরুদায়িত্ব দিল তৃণমূল। ঘোষিত হয়েছে ত্রিপুরা তৃণমূলের পূর্ণাঙ্গ রাজ্য কমিটি। রাজ্যের দায়িত্বে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সভাপতি হলেন সুবল ভৌমিক। কোর কমিটির সদস্য হলেন ৬ জন। সেখানে আছেন সুস্মিতা দেব, আশিস দাস, আশিস লাল সিং। রাজ্যের সহ সভাপতি হলেন ৮ জন।

সাধারণ সম্পাদক হলেন ৫ জন। সম্পাদক হলেন ১৪ জন। যুগ্ম সম্পাদক হলেন ৭ জন। এক্সিকিউটিভ মেম্বার হলেন ৭২ জন। যুব কমিটিতে এলেন ৬ জন। যুব সভাপতি হলেন শান্তনু সাহা। মহিলা কমিটিতে আছেন ৭ জন। মহিলা সভাপতি হলেন পান্না দেব। এস সি ও এস টি সেল গঠিত হয়েছে। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস ২৯ এপ্রিল ত্রিপুরার জন্য ১৩২ জন সদস্যের একটি রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছে, যা ২০২৩ সালের মার্চ মাসে নির্বাচনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। বাংলার প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরার রাজ্য ভারপ্রাপ্ত হিসেবে অব্যাহত থাকবেন, সুবল ভৌমিককে রাজ্য সভাপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। ছয় সদস্যের কোর কমিটিতে রয়েছেন সুস্মিতা দেব, আশীষ দাস, ভৃগুরাম রেয়াং, আশীষ লাল সিং, মামন খান এবং সুবল ভৌমিক নিজে। রাজ্যের মহিলা-কেন্দ্রিক সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য, কমিটিতে ২৭ জন মহিলা সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, যারা সর্বদা অনগ্রসর শ্রেণীর উন্নতির জন্য কাজ করেছে, তারা রাজ্য কমিটিতে ১৬ জন তফসিলি জাতি সদস্য, ১৮ জন তফসিলি উপজাতি এবং ৩২ জন ওবিসি গোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, ডোমজুড় আসন ছিল রাজীবের ঘরের মতোই। হাতের তালুর মতোই ওই আসন ছিল তাঁর নখদর্পণে। কিন্তু, বিজেপির টিকিটে সেখানে হারতে হয়েছিল তাঁকে। তারপর থেকেই বিজেপিতে তাঁর মোহভঙ্গ হতে শুরু করে। বিজেপির অবস্থানের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এমনকী, রাজ্য সরকারের ‘পাশে’ থাকার বার্তাও দিয়েছিলেন। বাংলায় যখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে সুর চড়িয়েছিল বিজেপি, ঠিক তখনই ফেসবুক পোস্টে রাজীব লিখেছিলেন, ‘সমালোচনা তো অনেক হল। মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি, আর ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালোভাবে নেবেন না। আমাদের সকলের উচিত, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কোভিড ও ইয়াস – এই দুই দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার মানুষের পাশে থাকা।’ পাশাপাশি মমতার প্রশংসাও করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। অবশেষে সব জল্পনাকে সত্যি করে রবিবার ত্রিপুরায় অভিষেকের সভায় তৃণমূলে যোগ দেন রাজীব।

Related Articles

Back to top button
Close