fbpx
কলকাতাহেডলাইন

যারা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙে তারা গড়বে সোনার বাংলা? বিজেপিকে কটাক্ষ পার্থর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সোনার বাংলা কি বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা দিয়ে শুরু হবে? তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগে সুর চড়ালেন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আমফান, করোনার জোড়া ধাক্কা সামলাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাণপণ লড়াই করে যাচ্ছেন বলেও দাবি তাঁর।

গত মঙ্গলবার ভারচুয়াল সমাবেশ অমিত শাহ সোনার বাংলা গড়ার ডাক দেন। অমিত শাহের সেই দাবিকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের মহাসচিব। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘যিনি সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিচ্ছেন তাঁর চোখের সামনেই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়। তাঁরই দলের একজন প্রচারক বললেন বিদ্যাসাগর সহজপাঠ লিখেছেন। যাঁরা সোনার বাংলা গড়তে চায়, তাঁরা বাংলার সংস্কৃতিকে ভেঙে দিতে চাইছে। নতুন সংস্কৃতি গড়ার চেষ্টা করছে। সোনার বাংলা কি বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা দিয়ে শুরু হবে? সংস্কৃতি নিয়ে তাঁদের কথা বলার দরকার নেই। বাংলার মানুষ দুর্দিন আসতে দেবেন না। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দের এই বাংলা। তাকে তো আগে জানতে হবে! এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী।

আরও পড়ুন: শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই বন্ধ দমদম বিমানবন্দরের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার

একদিকে করোনা আবার অন্যদিকে আমফানের জোড়া দাপটে বাংলার ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনের সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষতির খতিয়ানও তুলে ধরেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার কঠিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘করোনা, আমফানের ক্ষতি সামাল বড় চ্যালেঞ্জ। মানুষকে বাঁচানোই এখন প্রাথমিক লক্ষ্য। পার্থ বলেন, এই সময়ে রাজনীতি না করে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। রাস্তা নির্মাণ প্রাথমিকভাবে জরুরি, মানুষকে বাঁচানোটা আগে দরকার। আমফানের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। ঘূর্ণিঝড়ে ১০ লক্ষ বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। ভাবা যায়! কেন্দ্র দিয়েছে মাত্র এক হাজার কোটি টাকা। এই টাকায় বিপর্যয় প্রতিরোধ করা যায়? তবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বস্ব পণ করে লড়াই করছেন।

Related Articles

Back to top button
Close