fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ট্রাক্টর চুরি চক্রের তিন পাণ্ডা গ্রেফতার, উদ্ধার ১০ টি চোরাই ট্রাক্টর

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: লাগাতার তদন্ত চালিয়ে বড়সড় ট্র্যাক্টর চুরি চক্রের পর্দা ফাঁস করলো পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ। এখনও পর্যন্ত পুলিশ ১০ টি চোরাই ট্র্যাক্টর উদ্ধার করেছে। গ্রেপ্তার হয়েছে তিন জন । ট্রাক্টর চুরির ঘটনায় ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ মঙ্গলবারও ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে আরও চোরাই ট্রাক্টর ও চক্রের বাকি সদস্যদের হদিশ মিলতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে মেমারি থানার দেবীপুর থেকে ধরা পড়ে আলি হোসেন ও সেখ আজহার উদ্দিন। তাদের ডেরা থেকে মেলে দুটি চোরাই ট্রাক্টর। জিজ্ঞাসাবাদে তারা কবুল করে নদীয়া থেকে ট্রাক্টর দুটি তারা চুরি করে এনেছিল। তাঁদের টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালয়ে পুলিশ জানতে পারে আলি হোসেনের গ্যারেজে আরও চোরাই ট্রাক্টর রয়েছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আরও ৩ টি চোরাই ট্রাক্টর উদ্ধার করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাক্টর চুরি করে নম্বর প্লেট, ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর বদলে তারা বিক্রি করে বলে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে। রবিবার আলি হোসেন ও আজহারকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ ৫ দিনষ নিজেদের হেপাজতে নেয়। থানায় পুলিশ ফের তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদে ট্রাক্টর চুরিতে মহম্মদ জিশান খানের জড়িত থাকার কথা পুলিশ জানতে পারে।হেপাজতে নেওয়া ধৃতরা পুলিকে জানায় উত্তরপ্রদেশের কোতোয়ালি থানার মাজাফ্ফর নগরে জিশানের আদি বাড়ি। তবে সে এখন শহর বর্ধমানের বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে।

পুলিশ আলি হোসেন ও আজহারকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার রাতে ওই ভাড়া বাড়িতে হানাদিয়ে জিশানকে ধরে। তিনজনকে নিয়ে বর্ধমানের চাণ্ডুল এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ আরও পাঁচটি চোরাই ট্রাক্টর উদ্ধার করেছে। সোমবার জিশানকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ ৪দিনের হেপাজতে নিয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের নাগাল পেতে ও আরও চোরাই ট্রাক্টর উদ্ধারের জন্য পুলিশ এখন তাঁদের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close