fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দিনহাটায় গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ধুন্ধুমার, আহত একাধিক

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: সীমান্ত গ্রাম গীতালদহে একটি গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল কে ঘিরে মারধর, বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পডল। আক্রমণ প্রতি-আক্রমণ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। এদের মধ্যে তিন জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে গীতালদহ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের খারিজা গীতালদহ এলাকায়। আহতদের দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে কোচবিহারে রেফার করা হয়।

এই ঘটনায় বিরোধীদের পক্ষ থেকে মূল তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ উল্লেখ করা হলেও আহতরা অবশ্য বলেন এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক নেই। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্যই লেন গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে জর্জরিত তৃণমূল। কোনভাবেই কেউ কাউকে মেনে নিতে পারছে না। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা বলেও তাদের অভিযোগ।

দিনহাটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সিরাজুল মিয়া ও তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সংস্থার স্থানীয় এক এজেন্টের বাইক তাদের এক আত্মীয় নিয়ে যান। সেখান থেকে বাইক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। তারা বিষয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আবুয়াল আজাদকে জানান। এদিন সকালে এনিয়ে দুই পক্ষকে দেখে আলোচনার কথা থাকলেও হঠাৎ করে যারা বাইক ছিনতাই করেছে তারা এসে তাদের উপরে হামলা চালায় এবং নিয়ে আক্রমণ করে তাদের উপর। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নজরুল ইসলামের ছেলে শাহানুর ইসলাম সেখানে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
স্থানীয় তৃণমূল নেতা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, গাড়ির ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এদিন এই আক্রমণের ঘটনা ঘটে। তার ছেলে সহ তিনজন আহত হয়।

বিজেপির কোচবিহার জেলা সম্পাদক সুদেব কর্মকার বলেন, গীতালদহ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোলের ঘটনায় তিন জন আহত হয়েছে। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। বিষয়টি নিয়ে গীতালদহ এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আবুয়াল আজাদ বলেন এই ঘটনার সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। তবে দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে।

দিনহাটা থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত জানান, অর্থলগ্নি সংস্থার এক এজেন্টের গাড়ি কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে এখনও কোনো অভিযোগ হয় নি। পুলিশ গোটা ঘটনার দিকে নজর রেখেছে।

Related Articles

Back to top button
Close