fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত গোসাবা

হরিপদ মণ্ডল, গোসাবা: তৃণমূল ও বিজেপি সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল দক্ষিন ২৪ পরগনার গোসাবার সাতজেলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জেমসপুরে। ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা পরিমল মৃধা গুরুতর জখম হয়েছেন। তার মাথায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে এলাকার বিজেপি নেতা নীলকণ্ঠ মন্ডল ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা বিজেপির দাবি মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা পরিমল মৃধার নেতৃত্বে তৃণমূলের লোকজন বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়ে হামলা চালায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে সুন্দরবন কোষ্টাল থানার পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ, গত কয়েকদিনে এই এলাকা থেকে একের পর এক বিজেপি কর্মী বিজেপি দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পরিমল মৃধার নেতৃত্বেই এই যোগদান হয়েছে তৃণমূলে। আর সেই রাগেই এদিন বিজেপি নেতা নিরাঞ্জন মণ্ডল ও তাঁর ছেলে নীলকণ্ঠ মণ্ডলের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা আচমকা পরিমলের উপর হামলা চালায়। রাস্তায় ফেলে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায়। তৃণমূলের দাবি এলাকা থেকে একের পর এক বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দিচ্ছে পরিমলের নেতৃত্বে, আর সেই কারনেই পরিমলের উপর আক্রোশ বেড়েছে বিজেপির। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব।

 

তাঁদের দাবি, এলাকায় বিজেপি দল করার অপরাধে তাঁদের উপর হামলা হয়েছে। জোর করে বিজেপি কর্মীদের চাপ দিয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আর তাতে রাজি না হওয়ায় এদিন বিজেপি কর্মী নিরাঞ্জন ও নীলকণ্ঠের বাড়িতে চড়াও হয়ে হামলা চালানো হয়েছে। এলাকার তৃণমূল নেতা অনিমেষ মণ্ডল বলেন, “ শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। নিজেদের পায়ের তলায় মাটি নেই, তাই সন্ত্রাস করে এলাকায় ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে বিজেপি।” পাল্টা বিজেপি নেতা সঞ্জয় নায়েক বলেন, “ জোর করে মেরে, ভয় দেখিয়ে বিজেপি কর্মীদের দলে টানতে চাইছে তৃণমূল। আর তাতে রাজি না হওয়ায় এদিন হামলা চালানো হয়েছে বিজেপি কর্মীদের উপরে।”

Related Articles

Back to top button
Close