fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা জনসমীক্ষায় ডাঁহা ফেল তৃণমূল!

উল্লসিত বিজেপি

রক্তিম দাশ,কলকাতা, ১৫ মে: লকডাউনের মধ্যেই করোনা নিয়ে সামজিক মাধ্যমে জনসমীক্ষা চালাল বঙ্গ বিজেপি। আর এই জনসমীক্ষায় করোনা মোকাবিলায় ডাঁহা ফেলের তথ্য সামনে আসতেই উল্লসিত গেরুয়া শিবির। করোনা প্রতিরোধ,রেশন দূর্নীতি সহ একাধিক বিষয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে জনমত গঠনে তৎপর হয়েছে বিজেপি। সেই পরিকল্পনা অনুসারে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামে ‘আমাদের দিলীপদা ডট ইন’ পরিচালিত একটি ওয়েবসাইটে এই জনমত সমীক্ষাটি চালানো হয়।

‘কোভিট-১৯ প্রতিরোধে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকা সংক্রান্ত’ নামক এই জনসমীক্ষাটি চালানো হয় গত ৩০এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত। রাজনৈতিক মহল মনে করছে করোনা ক্রাইসিসের মধ্যে বিজেপির প্রতি বাংলার মানুষের আস্থা এবং তৃলমূলের প্রতি অনাস্থার হিসাব নিকেশ করতেই বিজেপির আইটি সেল এই জনসমীক্ষার পরিকল্পনা করেছে। এরকম একাধিক জনসমীক্ষা পর্যায়ক্রমে চালানো হবে ওয়েবসাইটের মধ্য দিয়ে তাও সূত্রের খবর।

এই জনসমীক্ষাটিতে মোট চারটি প্রশ্ন রাখা হয়েছে। এক, পশ্চিমবঙ্গ সরকার করোনা নিয়ে তথ্য লুকোচ্ছে কি না? এই প্রশ্নের উত্তরে দেখা গিয়েছে ৯৩.৫ শতাংশ সমীক্ষায় অংশ নেওয়া মানুষ হ্যাঁ বলেছেন। না বলেছেন ৬.৫শতাংশ। দুই, কেন্দ্র সরকার বিনামূল্যে চাল – ডাল রাজ্যে পাঠানো সত্বেও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, এর জন্য দায়ী কে? এর উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার/তৃণমূল/মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ি করেছেন ৯২.৭ শতাংশ। বিজেপিকে দায়ি করেছেন ৭.৩ শতাংশ। তিন,পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ কিছু এলাকার মানুষ লকডাউন মানছে না, এর জন্য দায়ী কি মুখ্যমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রশ্রয় ? এক্ষেত্রে হ্যাঁ বলেছেন ৯০.১ শতাংশ। না বলেছেন ৯.৯। চার নম্বরে জানতে চাওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের করোনা টেস্টের হার দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন, এর দ্বারা কি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে না? এ প্রশ্নে হ্যাঁ/ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে মত দিয়েছেন ৯১.১ শতাংশ। না বলেছেন ৮.৯ শতাংশ।

ওই ওয়েবসাইটে ‘কোভিট ১৯ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গ্রহণীয় আর্থিক ও সামাজিক পদক্ষেপ’ নামক পরবর্তী জনসমীক্ষাও শুরু করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবিষয়ে বলেন, ‘রাজ্য সরকারের প্রতি মানুষের মনোভাব জানতে আমরা অনলাইনে জনসমীক্ষা শুরু করেছি। সেখানে মানুষ তাদের মত জানাচ্ছেন। আমরা সেই সব জনসমীক্ষার ফলকে সঙ্কলিত করে সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরব। এটা কেন্দ্রীয় সরকারকেও পাঠাবো। আমরা প্রথম থেকেই বলছি রাজ্য সরকার সত্য প্রকাশ করছে না। এখন সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। প্রথম জনসমীক্ষায় ফলাফলে এটা পরিষ্কার।’

Related Articles

Back to top button
Close