fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে: দিলীপ ঘোষ

নিলয় ভট্টাচার্য, রানাঘাট: বাংলা জুড়ে একুশের নির্বাচনের হাওয়া তুলছে গেরুয়া শিবির। অমিত শাহের প্রথম ভার্চুয়াল জনসভা সফল হওয়ার পর উজ্জীবিত রাজ্য বিজেপি। করোনা পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতার মধ্যেও জেলায় জেলায় বুথ স্তর থেকে সংগঠনকে মজবুত করতে নেমে পড়েছেন রাজ্য বিজেপির নেতৃত্ব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় দুদিন সাংগঠনিক বৈঠক করলেন।

এদিন নদিয়ার রানাঘাটে দলীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ রাজ্যের মানুষ বিকল্প খুঁজে নিয়েছে বিজেপিকে।  এটা স্পষ্ট হয়ে  গিয়েছে বলেই তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। আর সেই দেওলিয়াপনা থেকে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ নেমে আসছে তৃণমূলের। আমরা পথে নামলেই আমাদের আটকানো হচ্ছে। আমাকে আটকানো হয়েছে, এতো ভয় যেন আমি রাস্তায় নামলেই সবাই বিজেপি হয়ে যাবে। আমাদের সাংসদ অর্জুন সিং, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ অন্য নেতাদেরও আটকানো হয়েছে। আজকেই সৌমিত্র খাঁ, সায়ন্তন বসুকে অবস্থান কর্মসূচীর সময় পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অদ্ভূত ব্যাপার, সরকারের কোন সমালোচনা করা যাবে না।’

এদিনও আমফান দুর্নীতি নিয়ে তিনি সরব হন। তাঁর অভিযোগ যাঁরা আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাননি। তিনি বলেন, ‘ এমন ২৭১ জন ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২০ হাজার টাকা পেয়েছেন যাদের মধ্যে ২৭০ জনের পাকা বাড়ি রয়েছে, ক্ষতিও হয়নি।’

পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর বিষয়ে রাজ্যের উদ্যোগের অভাব ছিল বলে মেদিনীপুরের সাংসদ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘ এই সরকার চায়নি পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরে আসুক। তাই কেন্দ্রীয় সরকার ট্রেন দিতে চাইলেও রাজ্য নিতে চায়নি। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের সহায়তায় পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরলেও তাঁদের কোয়ারিন্টাইনের জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করেনি। জঙ্গলের মধ্যে পরিত্যক্ত পাম্প হাউসে থাকতে গিয়ে সাপের কামড়ে মারা গেলেন একজন শ্রমিক।’

তাঁর আরও অভিযোগ ‘করোনার তথ্য লুকিয়ে, লকডাউনের নামে ছেলেখেলা করে রাজ্যের মানুষকে ঘোর বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন দিদি। একুশে মানুষ এর জবাব দেবে।’

Related Articles

Back to top button
Close