fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দলে ভাঙন রুখতে জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক তৃণমূলের

মিল্টন পাল, মালদা: দলে ভাঙন রুখতে জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক সাংসদ তথা জেলা তৃণমূল সভা নেত্রীর। রীতিমত মুছলেখা দিয়ে দলে আছি দলে থাকব বার্তা নেতাদের। কার্যত বিধানসভা ভোটের আগে শুভেন্দু অধিকারীর আতঙ্ক মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে। এদিকে জেলা থেকে প্রতিটি নেতার ওপর নজর রাখতে শুরু করে পিকে। যদিও বিজেপির দাবি শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। সোমবার বৈঠকে উপস্তিত ছিলেন সাংসদ তথা জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম নুর, সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল সহ জেলা পরিষদ সদস্যরা।

মালদা জেলা পরিষদের সদস্যদের ধরে রাখতে জেলা পরিষদের মিটিং হলে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডলের নেতৃত্বে ১০জন সদস্য শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। সম্প্রতি, নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভায় যোগ দিয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এমন অভিযোগে শোরগোল পড়ে জেলা রাজনৈতিক মহলে। আর নেতৃত্বের মনে সন্দেহ তৈরী হয় মালদা জেলা পরিষদ তৃণমূল কংগ্রেসের হাতছাড়া হতে পারে। এমন সম্ভবনা আটকাতে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন। কার্যত শুভেন্দু জ্বরে কাঁপছে মালদা জেলা পরিষদ।

আরও পড়ুন- জোর ধাক্কা MIM’র, তৃণমূলে যোগদান আনোয়ার সহ এক ঝাঁক রাজ্য নেতার

বৈঠক শেষে সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর জানান, কিছুদিন আগে জেলা পরিষদের বেশকিছু সদস্য শুভেন্দুদার সঙ্গে দেখা করেন। দলের নির্দেশ ছিল তাদের নিয়ে বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের। যারা গিয়েছিলেন তারা জানিয়েছেন তারা দলেই রয়েছেন। তাই প্রত্যেক মেম্বারকে ডেকে আলোচনা করা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দলে আছেন থাকবে। সব মেম্বার দলের প্রতি আস্থা রেখেছেন। যাতে জেলা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে কোনও যোগাযোগে ব্যঘাত না ঘটে। শুভেন্দু দা দলে আছেন। কোনো সমস্য হয়ত রয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব আলোচনা করছেন। উনিতো দলেই আছেন। আমরা এখনও তার প্রতি ভরসা রাখি। তবে লিখিত দেয়নি রেজুলেশন করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে যে মনোমালিন্য ছিল তা মিটিয়ে ফেলা হয়েছে।

মালদা জেলা পরিষদের সভাধীপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল বলেন, আমাদের মধ্যে একটা সমস্যা তৈরী হয়েছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে আমরা এক সঙ্গে মমতা বন্ধোপাধ্যায়ের উন্নয়নে কাজ করব। দল যা নির্দেশ দেবে তা মেনে কাজ করব। তিনি দলের সঙ্গে রয়েছেন। সদস্যদের সঙ্গে মতপার্থক্য ছিল তা মিটে গেছে। তিনি শুভেন্দু অধিকারীর সভা নন্দীগ্রামে যাননি।

জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন, মিছিল মিটিং করে কিছু হবে না যা হওয়ার তা ছয় মাস আগেই হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরে ভঙ্গুর ফাঁপড়া হয়ে গিয়েছে। সেই জন্য লোক দেখানো মিটিং মিছিল তারা করবে। কিন্তু এখনও যারা তৃণমূলে থেকে দম বন্ধ হয়ে মরছেন অক্সিজেন নিতে পারছেন না আমরা তাদেরকে বলছি ভারতীয় বিজেপির দরজা খোলা রয়েছে। তাই দুর্নীতিকে যারা মানতে পারছেন না তারা মাথা উঁচু করে বাঁচতে বিজেপিতে আসুন।

Related Articles

Back to top button
Close