fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

মিল্টন পাল, মালদা: বোআইনী কাজ করতে চাপ তৃণমূল নেতার বিজেপির প্রধানকে। নেতার কথামতো কাজ করতে রাজি না হওয়ায় বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে পঞ্চায়েত দফতরে ঢুকে ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।  ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার মালদার মানিকচক থানার নাজিরপুর গ্রামপঞ্চায়েতে। আহত প্রধানের স্বামীকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। ঘটনায় মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আহত প্রধানের স্বামী। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, আহত প্রধানের স্বামীর নাম সুজয় গোস্বামী ও প্রধান পম্পা সরকার গোস্বামী। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাজকুমার মন্ডল। তিনি তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষের স্বামী এবং এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। অভিযোগ সোমবার মানিকচক বি এল আর ও অফিসের ভেতরে বিজেপি পরিচালিত নাজির পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা সরকারের স্বামী সুজয় গোস্বামী কাজে গিয়ে ছিলেন। সেই সময় ব্যাপক মারধর করে । ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা সরকার। তাঁকেও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ।
প্রধান দাপুটে তৃণমূল নেতা রাজকুমার মন্ডলের কথা মতো তার এলাকার ১০০ দিনের কাজের মাস্টাররোলে সই করেননি প্রধান।প্রধান পম্পা সরকার পরিস্কার জানিয়ে দিয়ে ছিলেন বেআইনি ভাবে মাস্টার রোলে তিনি কোনমতে সই করবেন না।আর তারই মাশুল গুনতে হলো প্রধানের স্বামীকে। একেবারে জনসমক্ষে চলল মারধর। কেন মাস্টার রোলে সই করেনি প্রধান এই অভিযোগ তুলে রাজকুমার মন্ডল সহ বেশ কয়েকজন চড়াও হয় বিজেপি প্রধানের স্বামী সুজয় গোস্বামীর উপর। চলে মাটিতে ফেলে ব্যাপক চড়, ঘুষি ,লাথি।পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় উদ্ধার করে প্রধানের স্বামীকে ।
মার ধরে ব্যাপক আহত হন সুজয়। আহত সুজয় গোস্বামীকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। ঘটনায় তৃণমূল নেতা রাজকুমার মন্ডল সহ দুই জনের বিরুদ্ধে মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করে নাজির পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা সরকার গোস্বামী ও তার স্বামী সুজয় গোস্বামী। জেলা তৃণমূলের কো-অডিনেটর দুলাল সরকার বলেন,বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার করছে। মানিকচকেও একই ঘটনা ঘটেছে। বিজেপির নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল ঢাকার জন্য এই মিথ্যা প্রচার করছেন। কিছু কিছু সময় বিজেপির লোকরা তৃণমূলের লোকদের উস্কে দিয়ে এই ঘটনা গুলি ঘটাচ্ছে। এটাকে আমরা গুরত্ব দিই না। মমতা বন্দোপাধ্যায় উন্নয়নের কাজ করছে আর বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত দুর্নীতি ও লুঠ করে।
জেলা বিজেপি সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি বলেন,তৃণমূল এক কাঠমানি খোরদের দল। তাদের প্রত্যেকটি জনপ্রতিধি দূর্নীতিগ্রস্থ। আর তারা এখন আমাদের দলের জনপ্রতিনিধিদের দূর্নীতি করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। আর তা করতে অস্বীকার করায় হামলা মারধর করা হচ্ছে। পুলিশকে অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে না ওই এলাকার মানুষদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি।

Related Articles

Back to top button
Close