fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

এবার কি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা? জল্পনা তুঙ্গে

মিল্টন পাল, মালদা: কৃষেন্দু কি এবার বিজেপির পথে!  কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর বাড়িতে বিজেপির দুই বিধায়ককে ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে মালদায়। আর এই ঘটনার পর বিভিন্ন মহলে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎকার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষ্ণেন্দুবাবু।

 

বিশেষ সূত্র থেকে জানা গিয়েছে,শুক্রবার সকালে বনগাঁর বিধায়ক দুলাল বর যিনি সদ্য বিজেপিতে যোগদান করেছেন, তিনি এবং তাঁর সঙ্গে মালদার হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু  রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মালদা ডাকসাইডের তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরি সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে যান। মালদা শহরের নেতাজি সুভাষ রোগ সংলগ্ন গোলাপট্টি এলাকায় রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি। সেখানেই গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আলাপ-আলোচনা করেন বিজেপির ওই দুই বিধায়ক। তবে একান্তই কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা অবশ্য জানা যায় নি। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতেই শুক্রবার থেকেই জেলাজুড়ে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীকে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। কেউ বলছেন এবার হয়তো বিজেপিতে পা বাড়াতে চলেছেন কৃষ্ণেন্দুবাবু।

 

 

 

বিগত দিনে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীকে নিয়ে বারবার নানান খবর সংবাদের শিরোনামে এসেছে। তাহলে এবার সত্যি কি বিজেপিতে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ওই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার।যদিও এপ্রসঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী সাফ কথা,এসব বিরোধীদের চক্রান্ত। যিনি দেখা করতে এসেছিলেন তিনি আমার বহু পুরনো দিনের বন্ধু। সৌজন্যমূলক দেখা যে কেউ করতেই পারেন। তা নিয়ে অযথা এত সমালোচনা কেন ? আমি তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের একজন সৈনিক।  কাজেই এনিয়ে অযথা সমালোচনা না করাই ভালো।

 

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মালদার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বলেন, দুলাল বর আমার বহু পুরনো বন্ধু। উনি দীর্ঘদিন পর আমার সাথে দেখা করতে বাড়িতে এসেছেন। আমার দাদার সঙ্গেও দেখা করেছেন প্রণাম জানিয়েছেন। এর বেশি আর কোন কথা হয় নি। বন্ধুর সাথে কথা আমি বলতেই পারি। এনিয়ে সমালোচনার কোনও প্রশ্নই আসে না। যারা আলোচনা করছে তাদের উদ্দেশ্যে বলে রাখি, আমি তৃণমূল দলের সৈনিক। প্রথম থেকেই দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে ছিলাম এবং আছি। অযথা বিরোধীদের কেউ এরকম সমালোচনা করেই মানুষকে এবং দলীয় নেতৃত্বকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করছে। আমার তৃণমূল ছাড়া কোনও প্রশ্নই নেই।

 

 

এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলার কার্যকরী সভাপতি বাবলা সরকার বলেন, কৃষ্ণেন্দুবাবুর সঙ্গে কারোর পরিচিতি থাকতেই পারে। তা বলে অযথা বিরোধীদের রাজনৈতিক সমালোচনা করার কোন প্রশ্নই আসে না। আমার সঙ্গেই তার পরিচয় রয়েছে।  জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল বলেন,এদিন দলের দুই বিধায়ক প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বাড়িতে গিয়েছিলেন।তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন।কোন রাজনৈতিক আলোচনা হয় নি। কৃষ্ণেন্দুবাবুর সঙ্গে উনারা দেখা করতে গিয়েছিলেন । সৌজন্যমূলক দেখা যে কেউ করতেই পারেন।তবে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর বিজেপিতে যোগদান করার বিষয়টি নিয়ে কোন রকম মন্তব্য করেনি দলের জেলা সভাপতি।

Related Articles

Back to top button
Close