fbpx
কলকাতাহেডলাইন

জনজীবনকে আরও স্বাভাবিক করে তুলতে, আজ সর্বদলীয় বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আর কিছু দিনের মধ্যেই  শুরু হয়ে যাবে আনলকের দ্বিতীয় পর্ব। সেই পর্বে রাজ্যে জনজীবনকে আরও স্বাভাবিক করে তুলতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সে নিয়েই আজ সর্বদলীয় বৈঠকে আলোচনায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দুপুর ৩টের সময় নবান্নের সভাঘরে বসছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। তবে এদিনের বৈঠকের আগে সব থেকে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর নিজে থেকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও বিধানসভায় কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক আব্দুল মান্নানকে ফোন করে তাঁদের বৈঠকে থাকতে বলার বিষয়টি। এটা রাজ্য রাজনীতিতে মমতার একটা মাস্টারস্ট্রোক। বিগত মার্চ মাসেও লকডাউন ঘোষণার আগে নবান্নে একটি সর্বদল বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।  বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিল সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি-সহ রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। প্রতিটি রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে ২জন করে প্রতিনিধি থাকবে।

বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করেছিলেন বিধানসভায় স্পিকারের ঘরেই এই সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হবে। কিন্তু স্থানাভাবের জেরে সেই বৈঠক সরিয়ে আনা হয় নবান্নের সভাঘরে।

আরও পড়ুন: ‘৩৫ বছরের রাজনৈতিক সঙ্গীকে হারালাম’ তমোনাশ ঘোষের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

এই অবস্থায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে আজকের সর্বদলীয় বৈঠক। নবান্ন সূত্রে খবর বৈঠকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব পেতে চলেছে গণপরিবহণের ইস্যুটি। সেই দিকে তাকিয়ে লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালানো দেওয়া যেতে পারে কী পারে না, তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী সবার মতামত শুনতে চান।  আর লোকাল ট্রেন চালু হলে মেট্রো রেলের ক্ষেত্রেও যেমন ছাড় দেওয়া যাবে ঠিক তেমনি বাসেও যাত্রীসংখ্যার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি বৈঠকে উঠে আসতে পারে রেস্তোরাঁ, বার, সিনেমা হলের মতো ক্ষেত্রগুলি খোলার বিষয়টি। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ৬০ শতাংশের মতও রেস্তোরাঁ খুলেছিল। কিন্তু ক্রেতার অভাবে তাদের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ আবার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই বার খুলে দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি, আম্ফান ও তা নিয়ে কেন্দ্রের বঞ্চনাও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close