fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ, সন্ধের পর বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা !

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বিগত দুদিন ধরে গরমে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এদিকে আনলক ওয়ানের প্রথম পর্যায়ে খুলে গেছে অফিস-কাছারি। মহানগরের পথে বেসরকারি বাস নামলেও বস্তুত হয়রানি আর ভোগান্তির সঙ্গে লড়াই করে কর্মস্থলে পৌঁছেছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে মাথার উপরে চাঁদি ফাটা রোদ। বাতাসে বেড়েছে আর্দ্রতার পরিমাণ। ঘেমেনেয়ে পরিশ্রান্ত হয়ে যাচ্ছেন শহরের বাসিন্দারা। ভ্যাপসা গরমে নাকাল পথচারীরা। তবে এর মাঝে স্বস্তির খবর শোনাল হাওয়া অফিস।

 

 

আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢোকায় গোটা রাজ্যে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বেড়েছে। সন্ধের দিকে বিক্ষিপ্ত ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। রবিবার বঙ্গোপসাগর থেকে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে ওডিশা সংলগ্ন জেলা ও উপকূল অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাব পড়বে শহরে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে আগামী সপ্তাহেও।

 

 

আবহবিদরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রদেশের নিম্নচাপটি উত্তরপ্রদেশে সরে দুর্বল হবে। তার পরই বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় হবে মৌসুমি বাতাসের প্রবাহ। তার মধ্যে ৮ জুন নাগাদ মায়ানমার উপকূলের কাছে নতুন নিম্নচাপটির উদয় হওয়ার কথা। সেটি কতটা শক্তিশালী হয়, কোন পথে এগোয়, তার উপর নির্ভর করবে বাংলার বর্ষা-ভাগ্য। নিম্নচাপ ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূলের দিকে এগোলে বাংলার ঝুলিতে বেশি কিছু জুটবে না। সেক্ষেত্রে দক্ষিণবঙ্গ তো বটেই, উত্তরবঙ্গেও বর্ষার আগমন পিছিয়ে যেতে পারে। আবার নিম্নচাপ বাংলাদেশ, বাংলা লাগোয়া উপকূলের দিকে এগিয়ে এলে বৃষ্টিও হবে বেশি আবার তার ধাক্কায় মৌসুমি বাতাসও ঢুকে যেতে পারে। গত বছর ২১ জুন বর্ষা এসেছিল কলকাতায়। এ বার ততটা দেরি না হওয়ারই আশা রাখছেন আবহবিদরা।

Related Articles

Back to top button
Close