fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

যুব সমাজকে দিশা দেখাবে আজকের ঐতিহাসিক নবান্ন অভিযান :কাশেম আলী

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস:  বিপন্ন গণতন্ত্রের পূনরুদ্ধার সহ সাত দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে আজ ভারতীয় যুব জন মোর্চার নবান্ন অভিযান। রাজ্যের মানুষ বিষয়টি জানে,সরকার ও অবগত। বিগত এক মাস ব্যাপী কর্মসূচি সফল করার জন্য সভা সমিতি,দলীয় বৈঠক সবদিক থেকে প্রস্তুতি পর্ব  শেষ। শেষ মুহূর্তে নবান্ন বন্ধ রাখার নির্দেশ! তাহলে কি ভয় পেয়ে গেল রাজ্য সরকার? গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক আন্দোলন হবে,এটাই স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু নবান্ন স্যানিটাইজ করার অযুহাতে এধরনের সিদ্ধান্তে রাজ্য সরকার আবার প্রমাণ করলেন রাজ্য সত্যি সত্যিই গণতন্ত্র বিপন্ন।

বিরোধীদের কন্ঠ রোধের জন্য রাজ্য সরকারের এক অত্যন্ত ঘৃণ্য, জঘন্নতম প্রয়াস। অধিকার আদায় সহ ন্যায় প্রতিষ্ঠার দাবিতে লড়াই আন্দোলন নিষিদ্ধ! এ ভাবে সর্ব সাধারণের কন্ঠরোধ করা যাবে না, রাজ্যের মানুষ ২০২১ এর নির্বাচনের মধ্যদিয়ে এদের উপযুক্ত জবাব দেবেন, অভিমত পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সহসভাপতি কাশেম আলীর। তিনি আরও বলেন,এ ভাবে ভারতীয় জনতা পার্টির  কর্মী সমর্থকদের দমিয়ে রাখা যাবেনা, আমাদের নির্ধারিত কর্মসূচি হবেই। নবান্ন বন্ধ তাতে কি এসে যায়, যুবরাজের বাড়ি তো আর বন্ধ নেই, প্রয়োজনে যুব রাজের বাড়ি অভিযান হবে।দলীয় কর্মসূচি হচ্ছে ই এবং সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে,আমারা কোন হঠকারী সিদ্ধান্তে বিশ্বাসী নই, ভারতীয় জনতা পার্টি, বিশ্বের সর্ব বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, ফলে আমাদের আন্দোলন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, সমাজকে দিশা দেখানোর আন্দোলন, উন্নয়নের আন্দোলন, নতুন বাংলা গড়ার আন্দোলন।

নবান্ন অভিযানের আগে শেষ সান্ধ্যকালীন প্রস্তুতি সভায় কাশেম আলী এভাবেই বার্তা দিলেন গাইঘাটায় দলীয় সভায়। রাজ্যের শাসক দল কে একের পর এক সাঁড়াশি আক্রমণে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলেন কাশেম । গতকাল সন্ধ্যায় গাইঘাটা সুটিয়া বাজারে বিজেপির আঞ্চলিক নেতৃত্ব আয়োজিত ৮ ই অক্টোবর অর্থাৎ আজকের নবান্ন অভিযান কে সামনে রেখে  সান্ধ্যকালীন প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখছিলেন কাশেম । শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিজেপি সংখ্যা সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সহসভাপতি কাশেম আলীর আক্রমণের ধাঁচ দিল অত্যন্ত জোড়ালো। সদ্য টিটাগড়ে খুন হওয়া বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের প্রসঙ্গ টেনে প্রথমেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা  প্রশ্নে সরব হন  বিজেপি সংখ্যালঘু সেলের এই লড়াকু জননেতা।প্রকাশ্য লোকালয়ে সন্ধ্যা রাতে থানা থেকে ঠিল ছোড়া দূরত্বে যদি একজন স্থানীয় জনপ্রিয় জননেতা খুন হয়ে যান,তাহলে সেই রাজ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? রাজ্যের শাসক দল কে এ প্রশ্ন ছুড়ে দেন কাশেমজী। পুলিশকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে  রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে শাসক তৃনমূল কে তুলোধোনা করেন তিনি।

আরও পড়ুন: করোনা হঠাতে দেশজুড়ে বৃহত্তর প্রচারাভিযানের সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আমজনতাকে অংশ নেওয়ার আহ্বান

একের পর এক রাজনৈতিক খুনে বাংলা আজ অশান্ত, সাধারণ জনগণ রাজ্যে ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না। কৃষক তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। শিক্ষিত বেকার কাজ না পেয়ে ভিন রাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে এবং ঘটনায় গায়ে পরিযায়ী শ্রমিকের তকমা লাগছে।একের পর এক কলকারখানা রাজ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্যদিয়ে জীবনযাপন করছে রাজ্যের মানুষ। বাংলার অসহায় নাগরিক সমাজ, এই উদ্ভূত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান চায়। মানুষের জীবন জীবিকার ক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধান সহ সুরাহার পথ একমাত্র বিজেপি ই দেখাতে পারে।মোদীজীর স্বপ্নের প্রকল্প সবটা সাথ,সবটা বিকাশ কর্মসূচি রূপায়নের মধ্যদিয়েই তৃনমূলের পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

Related Articles

Back to top button
Close